ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বান্দরবানের দুর্গম পাহাড় থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্র রাতুল উদ্ধার জ্বালানি তেল থেকে ১০ বছরে সরকারের ঘরে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা দেশের ৭ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১ নম্বর সতর্কসংকেত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল শান্তির একমাত্র পথ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান: জাতিসংঘ মহাসচিব ১৬ দিন পর পাবনা-রাজবাড়ী নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু কূটনৈতিক অবহেলায় জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ ‘পিফোরএম’ সামিটে অনুপস্থিত বাংলাদেশ মঙ্গলে ৫০০০ দিন পার করে নতুন উপত্যকায় নাসার কিউরিওসিটি লালমনিরহাট কারাগারে ধারণক্ষমতার তিন গুণ বন্দি, তীব্র স্বাস্থ্যঝুঁকি ইরানের বিমান চলাচলের ওপর সর্বাত্মক মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী ও হিন্দু পরিবারের মেয়েদের অধিকার

মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল কুমিল্লার জঙ্গলে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুমিল্লায় মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া অপ্রতিম নামের ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহটি পাওয়া যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে বের হয় অপ্রতিম। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতিমকে উদ্ধারে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করার পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করা হচ্ছিল।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল কুমিল্লার জঙ্গলে

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লায় মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া অপ্রতিম নামের ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিখোঁজের একদিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহটি পাওয়া যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে বের হয় অপ্রতিম। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতিমকে উদ্ধারে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করার পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করা হচ্ছিল।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের জঙ্গল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অপ্রতিমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din