ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অফিস সহকারীর প্রাণনাশের হুমকির মুখে মদনের প্রধান শিক্ষক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোনার মদন উপজেলার বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান তালুকদারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোস্তফা কামাল হিরণের বিরুদ্ধে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে, যখন মোস্তফা কামাল হিরণ বিদ্যালয়ের স্টোররুমে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র পরিচালনা পর্ষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদ প্রকাশ করলে অফিস সহকারী হিরণ ক্ষিপ্ত হন। এ সময় তিনি প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধরের চেষ্টা করেন এবং প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন। উপস্থিত অন্য শিক্ষকরা তখন প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

এই ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাদির হোসেন শামীমের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। প্রাণনাশের ভয়ে তিনি টানা তিন দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৭ সালেও শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অসদাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত হিরণের বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে রেজুলেশন করা হয়েছিল। সে সময় ভবিষ্যতে কোনো অশুভ আচরণ না করার শর্তে তিনি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে ক্ষমা পেয়েছিলেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মোস্তফা কামাল হিরণ জানান, ২০১৭ সালের ঘটনাটি এখন নতুন করে সামনে আনা হচ্ছে। স্টোররুমের মালামাল চুরির বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান তালুকদার জানান, হুমকির কারণে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মদন থানার ওসি সালাউদ্দিন করিম জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মালামাল চুরির বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৩৩আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৩৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

অফিস সহকারীর প্রাণনাশের হুমকির মুখে মদনের প্রধান শিক্ষক

আপডেট সময় : ০২:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনার মদন উপজেলার বালালী বাঘমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান তালুকদারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোস্তফা কামাল হিরণের বিরুদ্ধে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক মদন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে, যখন মোস্তফা কামাল হিরণ বিদ্যালয়ের স্টোররুমে থাকা মূল্যবান আসবাবপত্র পরিচালনা পর্ষদের কোনো অনুমতি ছাড়াই এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দেন। ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সরেজমিনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদ প্রকাশ করলে অফিস সহকারী হিরণ ক্ষিপ্ত হন। এ সময় তিনি প্রধান শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে তাকে মারধরের চেষ্টা করেন এবং প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেন। উপস্থিত অন্য শিক্ষকরা তখন প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

এই ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাদির হোসেন শামীমের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। প্রাণনাশের ভয়ে তিনি টানা তিন দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারেননি। অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৭ সালেও শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অসদাচরণের অভিযোগে অভিযুক্ত হিরণের বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির বৈঠকে রেজুলেশন করা হয়েছিল। সে সময় ভবিষ্যতে কোনো অশুভ আচরণ না করার শর্তে তিনি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে ক্ষমা পেয়েছিলেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে মোস্তফা কামাল হিরণ জানান, ২০১৭ সালের ঘটনাটি এখন নতুন করে সামনে আনা হচ্ছে। স্টোররুমের মালামাল চুরির বিষয়ে তিনি কোনোভাবেই জড়িত নন বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, প্রধান শিক্ষক ওয়াহিদুজ্জামান তালুকদার জানান, হুমকির কারণে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মদন থানার ওসি সালাউদ্দিন করিম জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মালামাল চুরির বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৩৩আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ৩৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh