ঢাকা ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্লপ ও জাভির নতুন শুরুর ম্যাচে ড্র জার্মানি-নেদারল্যান্ডসের ছাতকে ক্যাম্পাসে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ ট্রাম্প-শি বৈঠক: বিশ্বমঞ্চে দুই পরাশক্তির নতুন সমীকরণ ন্যাটো দেশে রাশিয়ার ‘সীমিত’ হামলার সতর্কতা ডেনমার্কের এশিয়ান গেমসে জিন্নাতের ব্রোঞ্জ, ঘুচল বাংলাদেশের ৪০ বছরের অপেক্ষা বয়স লুকিয়ে পর্দায় অভিনয় করবেন না দীপা খন্দকার হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে এনসিপি ও ছাত্রদলের সংঘর্ষ পল্টন থেকে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ক হকারমুক্ত ঘোষণা করল ডিএসসিসি নেতানিয়াহু মঞ্চে উঠতেই জাতিসংঘে প্রতিনিধিদের গণ-ওয়াকআউট জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শাড়ির ধরন বুঝে বেছে নিন মানানসই গহনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নারীর সাজগোজের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলো গহনা। মাটি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাতুর বৈচিত্র্যময় গহনা এখন নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গহনা পরা জরুরি, বিশেষ করে শাড়ির ধরনের ওপর ভিত্তি করে গহনা নির্বাচন করলে সাজে পূর্ণতা আসে।

সাধারণ তাঁতের শাড়ির সঙ্গে জাঙ্ক জুয়েলারি বা ওয়েস্টার্ন ধাঁচের গহনা বেশ মানানসই। এক্ষেত্রে হাতে মোটা বালা বা ব্রেসলেটের পাশাপাশি গলায় পরা যেতে পারে বিব নেকলেস কিংবা বড় লকেট। আবার সুতির একরঙা সাধারণ শাড়ির সঙ্গে কড়ি, সুতা ও ধাতব গহনার মেলবন্ধন দারুণ দেখায়। এর সঙ্গে হাতে একটি বড় ডায়ালের ঘড়ি বা বালা পরলেও বেশ আকর্ষণীয় লাগে।

সিল্ক কিংবা অ্যান্ডি সিল্ক শাড়ির জমকালো ভাবের সঙ্গে মিলিয়ে গহনাতেও একটু গর্জিয়াস ছোঁয়া থাকা চাই। এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে অ্যান্টিকের ব্রাশ জুয়েলারি চমৎকার মানায়। এছাড়া পোর্সেলিন ও সিরামিকের তৈরি লকেট, কানের দুল এবং ধাতুর চুড়িও বেছে নেওয়া যেতে পারে।

কাতান বা ব্রকেটের মতো ভারী কাজের শাড়ির সঙ্গে হালকা ধাতুর গহনা পরাই শ্রেয়। এছাড়া রুপা, গোল্ড প্লেটেড গহনা কিংবা ক্রিস্টাল পুঁতি ও মুক্তার কয়েক লহরের মালা পরলে সাজে রাজকীয় ভাব ফুটে ওঠে।

জর্জেট শাড়ির সঙ্গে ইদানীং কাপড়ের তৈরি মালার নতুন ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। এছাড়া ক্রিস্টাল পুঁতি, মুক্তার কয়েক লহরের মালা কিংবা নেটের শাড়ির সঙ্গে ফিউশনধর্মী মুক্তার গহনা বেশ মানায়। রুবি, পান্না ও প্রবালের তৈরি মালাও জর্জেটের সঙ্গে দারুণ দেখায়।

সুতির ব্লক প্রিন্ট কিংবা ভেজিটেবল ডাইং করা শাড়ির সঙ্গে আদিবাসী ধাঁচের বা কাঠের তৈরি রঙিন গহনা দারুণ মানানসই। গলায় বিভিন্ন রঙের পুঁতির মালা এবং কানে ময়ূরসহ নানা পাখির পালক দিয়ে তৈরি দুল পরলে সাজে ভিন্নতা আসে।

তবে গহনা পরার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। বিয়ে বা যেকোনো জমকালো অনুষ্ঠানে শাড়ির সঙ্গে ভারী গহনা মানালেও হাত, কান ও গলায় একসঙ্গে ভারী গহনা না পরাই ভালো, এতে সাজের সৌন্দর্য নষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে, দিনের বেলার যেকোনো আয়োজনে শাড়ির সঙ্গে সবসময় হালকা গহনা বেছে নেওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

শাড়ির ধরন বুঝে বেছে নিন মানানসই গহনা

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারীর সাজগোজের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ হলো গহনা। মাটি থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধাতুর বৈচিত্র্যময় গহনা এখন নারীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে। তবে পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গহনা পরা জরুরি, বিশেষ করে শাড়ির ধরনের ওপর ভিত্তি করে গহনা নির্বাচন করলে সাজে পূর্ণতা আসে।

সাধারণ তাঁতের শাড়ির সঙ্গে জাঙ্ক জুয়েলারি বা ওয়েস্টার্ন ধাঁচের গহনা বেশ মানানসই। এক্ষেত্রে হাতে মোটা বালা বা ব্রেসলেটের পাশাপাশি গলায় পরা যেতে পারে বিব নেকলেস কিংবা বড় লকেট। আবার সুতির একরঙা সাধারণ শাড়ির সঙ্গে কড়ি, সুতা ও ধাতব গহনার মেলবন্ধন দারুণ দেখায়। এর সঙ্গে হাতে একটি বড় ডায়ালের ঘড়ি বা বালা পরলেও বেশ আকর্ষণীয় লাগে।

সিল্ক কিংবা অ্যান্ডি সিল্ক শাড়ির জমকালো ভাবের সঙ্গে মিলিয়ে গহনাতেও একটু গর্জিয়াস ছোঁয়া থাকা চাই। এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে অ্যান্টিকের ব্রাশ জুয়েলারি চমৎকার মানায়। এছাড়া পোর্সেলিন ও সিরামিকের তৈরি লকেট, কানের দুল এবং ধাতুর চুড়িও বেছে নেওয়া যেতে পারে।

কাতান বা ব্রকেটের মতো ভারী কাজের শাড়ির সঙ্গে হালকা ধাতুর গহনা পরাই শ্রেয়। এছাড়া রুপা, গোল্ড প্লেটেড গহনা কিংবা ক্রিস্টাল পুঁতি ও মুক্তার কয়েক লহরের মালা পরলে সাজে রাজকীয় ভাব ফুটে ওঠে।

জর্জেট শাড়ির সঙ্গে ইদানীং কাপড়ের তৈরি মালার নতুন ট্রেন্ড তৈরি হয়েছে। এছাড়া ক্রিস্টাল পুঁতি, মুক্তার কয়েক লহরের মালা কিংবা নেটের শাড়ির সঙ্গে ফিউশনধর্মী মুক্তার গহনা বেশ মানায়। রুবি, পান্না ও প্রবালের তৈরি মালাও জর্জেটের সঙ্গে দারুণ দেখায়।

সুতির ব্লক প্রিন্ট কিংবা ভেজিটেবল ডাইং করা শাড়ির সঙ্গে আদিবাসী ধাঁচের বা কাঠের তৈরি রঙিন গহনা দারুণ মানানসই। গলায় বিভিন্ন রঙের পুঁতির মালা এবং কানে ময়ূরসহ নানা পাখির পালক দিয়ে তৈরি দুল পরলে সাজে ভিন্নতা আসে।

তবে গহনা পরার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। বিয়ে বা যেকোনো জমকালো অনুষ্ঠানে শাড়ির সঙ্গে ভারী গহনা মানালেও হাত, কান ও গলায় একসঙ্গে ভারী গহনা না পরাই ভালো, এতে সাজের সৌন্দর্য নষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে, দিনের বেলার যেকোনো আয়োজনে শাড়ির সঙ্গে সবসময় হালকা গহনা বেছে নেওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin