ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য মূল্যচাপ নিয়ন্ত্রণে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ করা সুগন্ধি চালের পরিমাণ এখন থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। সংশোধিত এই বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং অনুমোদনের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় বৃহৎ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মাঝারি ও ক্ষুদ্র রপ্তানিকারকরা কেউই নতুন করে নির্ধারিত পরিমাণের বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবেন না। রপ্তানি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং দেশে রপ্তানি আয়ের প্রত্যাবাসন তদারকির জন্য ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং প্রতিটি চালান রপ্তানির আগে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করা। জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায় জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রপ্তানি অনুমোদন সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য করা হয়েছে এবং সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ের মাধ্যমে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় রপ্তানি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করলে আগের কোটার বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দাখিল করতে হবে। রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে রপ্তানিকারকদের পিআরসি দাখিল করতে হবে এবং জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই এই অনুমোদন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

এর আগে দুই দফায় ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোট ৪৫ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত বরাদ্দের বিপরীতে মোট ২ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন সুগন্ধি চাল রপ্তানি করেছে। সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্যস্থিতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করা নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত ও টেকসইভাবে রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা ৫০ শতাংশ কমাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য মূল্যচাপ নিয়ন্ত্রণে সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমোদিত কোটা ৫০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখার জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আগে অনুমোদন পাওয়া ২৭৮টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ করা সুগন্ধি চালের পরিমাণ এখন থেকে অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। সংশোধিত এই বরাদ্দ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং অনুমোদনের মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় বৃহৎ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মাঝারি ও ক্ষুদ্র রপ্তানিকারকরা কেউই নতুন করে নির্ধারিত পরিমাণের বেশি সুগন্ধি চাল রপ্তানি করতে পারবেন না। রপ্তানি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং দেশে রপ্তানি আয়ের প্রত্যাবাসন তদারকির জন্য ১০টি বাধ্যতামূলক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭-এর বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং প্রতিটি চালান রপ্তানির আগে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পণ্যের মান ও সত্যতা যাচাই করা। জাহাজীকরণের পর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখায় জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রপ্তানি অনুমোদন সম্পূর্ণ অহস্তান্তরযোগ্য করা হয়েছে এবং সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ের মাধ্যমে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় রপ্তানি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে নতুন রপ্তানি অনুমোদনের জন্য আবেদন করলে আগের কোটার বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানির পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও প্রমাণ দাখিল করতে হবে। রপ্তানি আয় দেশে প্রত্যাবাসনের প্রমাণ হিসেবে রপ্তানিকারকদের পিআরসি দাখিল করতে হবে এবং জনস্বার্থে সরকার যেকোনো সময় কারণ দর্শানো ছাড়াই এই অনুমোদন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

এর আগে দুই দফায় ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোট ৪৫ হাজার ২৭০ মেট্রিক টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত বরাদ্দের বিপরীতে মোট ২ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন সুগন্ধি চাল রপ্তানি করেছে। সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ ও মূল্যস্থিতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকার জানিয়েছে, এই উদ্যোগের লক্ষ্য রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করা নয়, বরং নিয়ন্ত্রিত ও টেকসইভাবে রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin