আসামিদের তৎপরতা সন্দেহজনক, নাশকতা এড়াতে ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার
- আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা জোরদার করতে নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের কয়েকজন আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এবং তাঁরা নাশকতা বা স্যাবোটাজ ঘটাতে পারেন—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর এ কথা জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে প্রতিটি কর্মকাণ্ড কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। কোনো অপরাধী যদি কোনো অপতৎপরতা বা দুষ্টুচিন্তা করেন, তবে তা তাঁদের জন্য আত্মঘাতী হবে।
গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগের ভিত্তিতে বর্তমানে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করছে। আজ চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা জবানবন্দি দিতে আসেন। ব্রিফিংয়ের সময় তাঁরাও উপস্থিত ছিলেন। আমিনুল ইসলাম বলেন, এই পরিবারগুলোর অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকেই কিছু অপরাধীর তৎপরতা বেড়েছে। তাই ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার প্রক্রিয়া এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা বাড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন।
গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা অত্যন্ত শক্তিশালী উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অপরাধীরা যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে। তাই প্রসিকিউশন নিজেরা সতর্ক থাকার পাশাপাশি গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারকেও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে। তদন্ত কার্যক্রম যেন কোনো স্যাবোটাজ বা বাধার কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এছাড়া দেশে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নামে একটি নতুন আইন হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে আমিনুল ইসলাম একে অত্যন্ত যুগোপযোগী বলে অভিহিত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই আইনের মাধ্যমে দেশজুড়ে গুমের বিচারের গতি ভিন্ন মাত্রা পাবে।





























