ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে কাজ করছে সরকার এআইয়ের যুগে তরুণদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর নতুন কৌশল ও দিকনির্দেশনা পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবায় রোগীর তথ্যের নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনা ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১২০০ কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুর ৮ম প্রয়াণ দিবস: ‘রুপালি গিটার ফেলে’ অফিসার্স ক্লাবে দুর্ঘটনায় সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু, দিশাহারা মেয়ে লালমনিরহাট সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধার মুখে অবস্থান ইয়েমেন সীমান্তে সৌদি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ২ এআই ব্যবহারে মারাত্মক জৈব অস্ত্রের ঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা এমআইফাইভ প্রধানের

বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল পুনর্নির্মাণে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন (৪০০ থেকে ৫০০ কোটি) মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। তবে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এখনো চলমান থাকায় এটি কেবল একটি প্রাথমিক অনুমান বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেপালের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এটি এখনো কেবল একটি অনুমান। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে।’ তিনি আরও জানান, ২০১৫ সালের প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পের পর দেশ পুনর্গঠনে যে বিশাল অঙ্কের অর্থ লেগেছিল, এবারের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তার চেয়ে কম তহবিলের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এবারের ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

হিমালয় অঞ্চলে গত বুধবার একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর পাথর, বরফ ও কাদার প্রবল স্রোত নদীর পানির সঙ্গে নেমে আসে। এর ফলে নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুই দেশে এ পর্যন্ত ৬০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। পানির তোড়ে সীমান্ত এলাকার বেশ কয়েকটি শহর ও জনপদ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, ভেসে গেছে বহু সড়ক ও সেতু।

বন্যার কারণে দেশটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে নেপালের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের বেশি সরবরাহ করা হতো। ফলে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করাই এখন দেশটির সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এর আগে ২০১৫ সালে নেপালে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। সেই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ প্রাণ হারান এবং ৫ লাখের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। ওই সময় নেপালের অর্থনীতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং তা পুনর্গঠনে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছিল। এবারের দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব শেষ হওয়ার পর পুনর্গঠনের প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:২১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল পুনর্নির্মাণে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন (৪০০ থেকে ৫০০ কোটি) মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে। তবে ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এখনো চলমান থাকায় এটি কেবল একটি প্রাথমিক অনুমান বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেপালের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক হিসাবে পুনর্গঠনে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। এটি এখনো কেবল একটি অনুমান। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের কাজ এখনো চলছে।’ তিনি আরও জানান, ২০১৫ সালের প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পের পর দেশ পুনর্গঠনে যে বিশাল অঙ্কের অর্থ লেগেছিল, এবারের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তার চেয়ে কম তহবিলের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এবারের ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

হিমালয় অঞ্চলে গত বুধবার একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর পাথর, বরফ ও কাদার প্রবল স্রোত নদীর পানির সঙ্গে নেমে আসে। এর ফলে নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুই দেশে এ পর্যন্ত ৬০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং এখনো ২ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। পানির তোড়ে সীমান্ত এলাকার বেশ কয়েকটি শহর ও জনপদ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে, ভেসে গেছে বহু সড়ক ও সেতু।

বন্যার কারণে দেশটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্প থেকে নেপালের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ১২ শতাংশের বেশি সরবরাহ করা হতো। ফলে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করাই এখন দেশটির সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

এর আগে ২০১৫ সালে নেপালে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পটি ছিল দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। সেই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষ প্রাণ হারান এবং ৫ লাখের বেশি ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। ওই সময় নেপালের অর্থনীতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং তা পুনর্গঠনে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছিল। এবারের দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব শেষ হওয়ার পর পুনর্গঠনের প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh