ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের
- আপডেট সময় : ১০:১৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল মজুতের এক-পঞ্চমাংশ বা ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক অভূতপূর্ব ঘোষণায় এই তথ্য জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে ওপেকের সদস্য দেশ ভেনেজুয়েলার বিপর্যস্ত জ্বালানি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম কমাতে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি সম্পন্ন হয়েছে। ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এই বড় ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার প্রায় নয় মাস পার হয়েছে। মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ও মাদক সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ইরান যুদ্ধ ছয় মাসে গড়ানোয় যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম নিয়ে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে তাদের কৌশলগত মজুত থেকেও বিপুল পরিমাণ তেল বাজারে ছেড়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বে সবচেয়ে বড় তেল মজুত থাকা দেশগুলোর অন্যতম ভেনেজুয়েলা। দেশটিতে প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে, যা বৈশ্বিক মোট মজুতের প্রায় ১৭ শতাংশ। তবে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত জরাজীর্ণতার কারণে দেশটি বর্তমানে বিশ্বের মোট তেলের মাত্র ১ শতাংশ উৎপাদন করতে পারে। মার্কিন কোম্পানিগুলোকে ভেনেজুয়েলার নির্দিষ্ট কিছু তেলক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার সুযোগ দিতে এবং উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ নিশ্চিত করতে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর এই চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হলো।




























