ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর মরদেহ আত্রাইয়ে পৌঁছেছে মক্কা জোটে নতুন দেশ যুক্ত হওয়ার পথ খোলা রয়েছে: পাকিস্তান পাহাড়ের ঢালে হামাগুড়ি দিয়ে প্রাণ বাঁচালেন তাঁরা বাড়িতেই ১০-১২ হাজার বইয়ের সংগ্রহ গড়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান নেপালের অবকাঠামো ধ্বংস কেন বারবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে? হিমবাহধসের পর এবার ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সাউথ ব্লকের চাপ ও অস্বস্তি বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক সিলেটে ব্যবসায়ী শাহাবউদ্দিন হত্যায় রেস্টুরেন্ট কর্মচারী জালালের স্বীকারোক্তি বেসিস নির্বাচন: ২৬ সেপ্টেম্বর ভোট, চূড়ান্ত তালিকা ৫ সেপ্টেম্বর

৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ বল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত গোলগুলোর একটি হলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি এবার নিলামে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। চার দশক আগের সেই মুহূর্তটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।

আর্জেন্টিনার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে হাত দিয়ে গোলটি করেছিলেন। ম্যাচ শেষে নিজের সেই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এটা হয়েছিল কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’ সেই থেকেই গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা আরও একটি গোল করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ফিল্ড খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে শিলটনকে পরাস্ত করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনে শনিবার বলটি ৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়, যা প্রায় ২৫ লাখ পাউন্ডের সমান। যদিও নিলামের আগে ধারণা করা হয়েছিল বলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৩ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত উঠতে পারে। ১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে তিনি বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সংরক্ষণ করেন।

২০২৩ সালে বিন নাসের একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে বলটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে যাচাই করেও বলটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে বিন নাসের বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ১৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন। এরপর ২০২৩ সালে বলটির নতুন মালিক এটি পুনরায় নিলামে তুললেও সেবার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দর না ওঠায় তা বিক্রি হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ বল

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত গোলগুলোর একটি হলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি এবার নিলামে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। চার দশক আগের সেই মুহূর্তটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।

আর্জেন্টিনার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে হাত দিয়ে গোলটি করেছিলেন। ম্যাচ শেষে নিজের সেই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এটা হয়েছিল কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’ সেই থেকেই গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা আরও একটি গোল করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ফিল্ড খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে শিলটনকে পরাস্ত করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনে শনিবার বলটি ৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়, যা প্রায় ২৫ লাখ পাউন্ডের সমান। যদিও নিলামের আগে ধারণা করা হয়েছিল বলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৩ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত উঠতে পারে। ১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে তিনি বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সংরক্ষণ করেন।

২০২৩ সালে বিন নাসের একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে বলটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে যাচাই করেও বলটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে বিন নাসের বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ১৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন। এরপর ২০২৩ সালে বলটির নতুন মালিক এটি পুনরায় নিলামে তুললেও সেবার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দর না ওঠায় তা বিক্রি হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin