ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সালমানের সঙ্গে হ্যান্ডশেকের পর ৭ দিন হাত ধোননি অভিনেত্রী চাঁদনী সাবিলা নূরের দাম্পত্যে ঝড়, ডিওপির সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন সৌদি আরবে হামলার জেরে দাম্মাম ও রিয়াদে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত নোয়াখালীতে গ্যারেজে অভিযান, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ৩ রংপুর রেঞ্জে সেরা নীলফামারী জেলা পুলিশ ৩৪ বছর বয়সে না ফেরার দেশে ‘ব্রেকিং ব্যাড’ অভিনেতা আরজে মেটি সানজি গ্রুপের ১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: এজিএম পার্থ সারথী গ্রেপ্তার আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় আঘাত: পিল্লাই ভোট চুরির পর এবার বিক্ষোভের স্থানও চুরি করছে মোদি সরকার চরফ্যাশনে সারের ডিলারশিপ বিতর্কে স্ট্যাম্পে লিখে দায়িত্ব হস্তান্তর যুবদল নেতার

৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ বল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত গোলগুলোর একটি হলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি এবার নিলামে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। চার দশক আগের সেই মুহূর্তটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।

আর্জেন্টিনার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে হাত দিয়ে গোলটি করেছিলেন। ম্যাচ শেষে নিজের সেই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এটা হয়েছিল কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’ সেই থেকেই গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা আরও একটি গোল করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ফিল্ড খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে শিলটনকে পরাস্ত করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনে শনিবার বলটি ৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়, যা প্রায় ২৫ লাখ পাউন্ডের সমান। যদিও নিলামের আগে ধারণা করা হয়েছিল বলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৩ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত উঠতে পারে। ১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে তিনি বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সংরক্ষণ করেন।

২০২৩ সালে বিন নাসের একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে বলটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে যাচাই করেও বলটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে বিন নাসের বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ১৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন। এরপর ২০২৩ সালে বলটির নতুন মালিক এটি পুনরায় নিলামে তুললেও সেবার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দর না ওঠায় তা বিক্রি হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হলো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ বল

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত গোলগুলোর একটি হলো ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যবহৃত বলটি এবার নিলামে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে। চার দশক আগের সেই মুহূর্তটি আজও ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে।

আর্জেন্টিনার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে ম্যারাডোনা গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে বোকা বানিয়ে হাত দিয়ে গোলটি করেছিলেন। ম্যাচ শেষে নিজের সেই গোল নিয়ে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘এটা হয়েছিল কিছুটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’ সেই থেকেই গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিতি পায়। একই ম্যাচে ম্যারাডোনা আরও একটি গোল করেছিলেন, যা পরবর্তীতে ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি লাভ করে। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ফিল্ড খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে শিলটনকে পরাস্ত করেছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনে শনিবার বলটি ৩৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়, যা প্রায় ২৫ লাখ পাউন্ডের সমান। যদিও নিলামের আগে ধারণা করা হয়েছিল বলটির দাম প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার বা ৭৩ লাখ পাউন্ড পর্যন্ত উঠতে পারে। ১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে তিনি বলটি নিজের কাছে রেখে দিয়েছিলেন এবং তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সংরক্ষণ করেন।

২০২৩ সালে বিন নাসের একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে বলটির সত্যতা নিশ্চিত করেন। পরবর্তীতে স্বাধীনভাবে যাচাই করেও বলটির সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। এর আগে ২০২২ সালে বিন নাসের বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ১৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন। এরপর ২০২৩ সালে বলটির নতুন মালিক এটি পুনরায় নিলামে তুললেও সেবার নির্ধারিত সর্বনিম্ন দর না ওঠায় তা বিক্রি হয়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin