ঢাকা ০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালের অবকাঠামো ধ্বংস কেন বারবার বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে? হিমবাহধসের পর এবার ভূমিকম্পে কাঁপল তিব্বত তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে সাউথ ব্লকের চাপ ও অস্বস্তি বেসামরিক প্রশাসনে সামরিকীকরণ ও মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক সিলেটে ব্যবসায়ী শাহাবউদ্দিন হত্যায় রেস্টুরেন্ট কর্মচারী জালালের স্বীকারোক্তি বেসিস নির্বাচন: ২৬ সেপ্টেম্বর ভোট, চূড়ান্ত তালিকা ৫ সেপ্টেম্বর ব্রুকলিনে বাংলাদেশি ইউসুফ হত্যা: ঘাতকের ছবি প্রকাশ করল নিউইয়র্ক পুলিশ চারজনের খুনের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থতা সরকারের চরম ব্যর্থতা: গোলাম পরওয়ার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ইমদাদুল হুদা সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

১৪ দিনে ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকরের পথে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ১৪ দিনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। রোববার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও পদ্ধতি নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়, বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারি সেবাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সাজানোর একটি প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন, পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী দল নিয়ে সংস্থাটি তার নতুন যাত্রা শুরু করছে।

সংস্থাটি বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, উপযুক্ত বিনিয়োগ স্থান খুঁজে দেওয়া এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বাধাগুলো দূর করতে সহায়তা করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের বিনিয়োগসেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাবিজ’-এর কার্যক্রমও চলমান থাকবে। নতুন আইন কার্যকরের ফলে ওয়ান-স্টপ সেবা, সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং অনলাইন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও পরিবহন সংযোগ দ্রুত পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে বিনিয়োগকারীর চাহিদা ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের প্রকল্পগুলোতেও সহায়তা প্রদান করবে সংস্থাটি। এছাড়া অব্যবহৃত সরকারি জমি ও স্থাপনাগুলোকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়মিত কর্মীরা সমমানের পদে নতুন কর্তৃপক্ষে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে। পরামর্শক, আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাদের বিদ্যমান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ দিনে ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকরের পথে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ১৪ দিনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। রোববার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও পদ্ধতি নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়, বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারি সেবাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সাজানোর একটি প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন, পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী দল নিয়ে সংস্থাটি তার নতুন যাত্রা শুরু করছে।

সংস্থাটি বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, উপযুক্ত বিনিয়োগ স্থান খুঁজে দেওয়া এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বাধাগুলো দূর করতে সহায়তা করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের বিনিয়োগসেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাবিজ’-এর কার্যক্রমও চলমান থাকবে। নতুন আইন কার্যকরের ফলে ওয়ান-স্টপ সেবা, সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং অনলাইন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও পরিবহন সংযোগ দ্রুত পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে বিনিয়োগকারীর চাহিদা ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের প্রকল্পগুলোতেও সহায়তা প্রদান করবে সংস্থাটি। এছাড়া অব্যবহৃত সরকারি জমি ও স্থাপনাগুলোকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়মিত কর্মীরা সমমানের পদে নতুন কর্তৃপক্ষে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে। পরামর্শক, আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাদের বিদ্যমান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din