ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু ড. ইউনূসের সিদ্ধান্তের সমালোচনা হোক, তবে অবমাননা নয় দেশে অরাজকতা বাড়িয়ে সরকার ব্যর্থ করার চক্রান্ত চলছে: রিজভী ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথ: ৮০ কিমি দূরত্ব কমবে, ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে কুবিতে ফের মানববন্ধন চট্টগ্রামগামী বাসে নিখোঁজ মনপুরার যুবক ফরহাদ, উদ্বিগ্ন পরিবার ৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধের উদ্যোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, আমলাতন্ত্রেও সংস্কার জরুরি: ডেপুটি স্পিকার ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৬ বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত, মামলার প্রস্তুতি

১৪ দিনে ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকরের পথে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ১৪ দিনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। রোববার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও পদ্ধতি নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়, বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারি সেবাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সাজানোর একটি প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন, পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী দল নিয়ে সংস্থাটি তার নতুন যাত্রা শুরু করছে।

সংস্থাটি বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, উপযুক্ত বিনিয়োগ স্থান খুঁজে দেওয়া এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বাধাগুলো দূর করতে সহায়তা করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের বিনিয়োগসেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাবিজ’-এর কার্যক্রমও চলমান থাকবে। নতুন আইন কার্যকরের ফলে ওয়ান-স্টপ সেবা, সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং অনলাইন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও পরিবহন সংযোগ দ্রুত পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে বিনিয়োগকারীর চাহিদা ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের প্রকল্পগুলোতেও সহায়তা প্রদান করবে সংস্থাটি। এছাড়া অব্যবহৃত সরকারি জমি ও স্থাপনাগুলোকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়মিত কর্মীরা সমমানের পদে নতুন কর্তৃপক্ষে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে। পরামর্শক, আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাদের বিদ্যমান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ দিনে ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকরের পথে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশে ব্যবসা শুরু ও বিনিয়োগের অনুমোদন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে নতুন বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ ১৪ দিনের মধ্যে একটি ব্যবসায়িক লাইসেন্সিং কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। রোববার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন এই কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি দ্রুত ও পূর্বানুমানযোগ্য ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর আওতায় লাইসেন্স, সরকারি অনুমোদন এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ও পদ্ধতি নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ নয়, বরং বিনিয়োগকারীকে কেন্দ্রে রেখে সরকারি সেবাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সাজানোর একটি প্রচেষ্টা। তিনি আরও বলেন, পূর্বসূরি প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী দল নিয়ে সংস্থাটি তার নতুন যাত্রা শুরু করছে।

সংস্থাটি বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, উপযুক্ত বিনিয়োগ স্থান খুঁজে দেওয়া এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে উদ্ভূত বাধাগুলো দূর করতে সহায়তা করবে। এছাড়া, বাংলাদেশের বিনিয়োগসেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাবিজ’-এর কার্যক্রমও চলমান থাকবে। নতুন আইন কার্যকরের ফলে ওয়ান-স্টপ সেবা, সিঙ্গেল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং অনলাইন অনুমোদন প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যেখানে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও পরিবহন সংযোগ দ্রুত পাওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে বিনিয়োগকারীর চাহিদা ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরের প্রকল্পগুলোতেও সহায়তা প্রদান করবে সংস্থাটি। এছাড়া অব্যবহৃত সরকারি জমি ও স্থাপনাগুলোকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত হওয়ার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, নিয়মিত কর্মীরা সমমানের পদে নতুন কর্তৃপক্ষে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং তাদের চাকরির ধারাবাহিকতা ও সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে। পরামর্শক, আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীরা তাদের বিদ্যমান চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাবেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din