ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শামলিতে জিম থেকে বের হতেই গুলি, ২৫ সেকেন্ডে শেষ গায়কের জীবন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৯১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার ইউরোপে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগ নেপাল সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসের নতুন ঝুঁকি, উদ্ধার অভিযান স্থগিত চীনের আগামী ৫ দিন দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমবে গরম আশুলিয়ায় পত্রিকার সাইনবোর্ডের আড়ালে নকল কনডম তৈরির কারখানায় অভিযান সেপ্টেম্বরে নয়, জানুয়ারিতে হতে পারে ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ ৮৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন নরওয়ের রাজা হারাল্ড নেপালের ভয়াবহ বন্যা: বাংলাদেশের কাপ্তাই বাঁধের জন্য কি সতর্কবার্তা? গোয়াইনঘাটে ২৬ কোটির মহাসড়ক নির্মাণে বাধা ৯০ গাছ

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন অপরাধীদের যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পরিকল্পনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে দণ্ডিত প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ জন যৌন অপরাধীকে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেয়ার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ কারাগার ও প্রবেশন সেবায় এই চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারগুলোতে প্রায় ১৫ হাজার বন্দী যৌন অপরাধের দায়ে সাজা ভোগ করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশকে এই বিশেষ চিকিৎসার আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ‘মেডিকেশন টু ম্যানেজ প্রবলেম্যাটিক সেক্সুয়াল অ্যারাউজাল (এমএমপিএসএ)’ নামে একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই কর্মসূচি ১০টি কারাগার থেকে বাড়িয়ে ২০টি কারাগারে সম্প্রসারণ করা হবে। পরবর্তী ধাপে দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আরও দুটি এনএইচএস অঞ্চলে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এই চিকিৎসা মূলত সেইসব যৌন অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যারা বারবার তীব্র যৌন চিন্তা, দীর্ঘস্থায়ী যৌন উত্তেজনা এবং ক্ষতিকর যৌন আকাঙ্ক্ষা বা আচরণের শিকার। চিকিৎসার অংশ হিসেবে সেরট্রালিনের মতো এসএসআরআই (SSRI) দেয়া হতে পারে, যা অনুপ্রবেশকারী যৌন চিন্তা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন ওষুধও ব্যবহার করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বয়ঃসন্ধির আগের পর্যায়েও নামিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।

এই কর্মসূচি মূল্যায়নকারী অধ্যাপক বেলিন্ডা উইন্ডার বলেন, পরীক্ষামূলক কর্মসূচির ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে এটি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দীর চাপ কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই স্বেচ্ছামূলক এই চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার আগ্রহী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন অপরাধীদের যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০৬:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারে দণ্ডিত প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ জন যৌন অপরাধীকে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের ওষুধ দেয়ার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একজন বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ কারাগার ও প্রবেশন সেবায় এই চিকিৎসা কার্যক্রম পুরোপুরি চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের কারাগারগুলোতে প্রায় ১৫ হাজার বন্দী যৌন অপরাধের দায়ে সাজা ভোগ করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় এক-চতুর্থাংশকে এই বিশেষ চিকিৎসার আওতায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বর্তমানে ‘মেডিকেশন টু ম্যানেজ প্রবলেম্যাটিক সেক্সুয়াল অ্যারাউজাল (এমএমপিএসএ)’ নামে একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই কর্মসূচি ১০টি কারাগার থেকে বাড়িয়ে ২০টি কারাগারে সম্প্রসারণ করা হবে। পরবর্তী ধাপে দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আরও দুটি এনএইচএস অঞ্চলে এটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এই চিকিৎসা মূলত সেইসব যৌন অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যারা বারবার তীব্র যৌন চিন্তা, দীর্ঘস্থায়ী যৌন উত্তেজনা এবং ক্ষতিকর যৌন আকাঙ্ক্ষা বা আচরণের শিকার। চিকিৎসার অংশ হিসেবে সেরট্রালিনের মতো এসএসআরআই (SSRI) দেয়া হতে পারে, যা অনুপ্রবেশকারী যৌন চিন্তা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে যৌনাকাঙ্ক্ষা নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যান্টি-অ্যান্ড্রোজেন ওষুধও ব্যবহার করা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বয়ঃসন্ধির আগের পর্যায়েও নামিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।

এই কর্মসূচি মূল্যায়নকারী অধ্যাপক বেলিন্ডা উইন্ডার বলেন, পরীক্ষামূলক কর্মসূচির ফলাফল আশাব্যঞ্জক হলে ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে এটি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, কারাগারে অতিরিক্ত বন্দীর চাপ কমানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই স্বেচ্ছামূলক এই চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার আগ্রহী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin