ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাতিজাদের বঞ্চিত করে মেয়েকে সব সম্পত্তি লিখে দেওয়া কি জায়েজ? সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ আর নেই স্ত্রীকে বৈদ্যুতিক শকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সোমেশ্বরীর ভাঙন ঝুঁকিতে রাণীখং স্কুল, দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ ভূঞাপুরে নবজাতকের মৃত্যুর খবর সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি হবিগঞ্জে সোয়া কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি ও কসমেটিকসসহ ট্রাক জব্দ উমবের্তো একোর ‘দ্য আইসল্যান্ড অফ দ্য ডে বিফর’ ও সাহিত্য দর্শন ‘জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি পুলিশ’: বরিশালের নবাগত ডিআইজি জুলফিকার দৌলতদিয়ায় পদ্মার ৮ কেজির চিতল মাছ বিক্রি ১১ হাজার ৬৫০ টাকায় শিক্ষকদের জন্য আলাদা পে-স্কেলের কথা ভাবছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষকদের পথ আগলে ধরলেন ছাত্রনেতারা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে শিক্ষার্থী হেনস্তার অভিযোগ ও প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে হল সংসদের নেতাদের তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা ১৬ আগস্টের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। খবর পেয়ে হল সংসদের নেতারা সেখানে গিয়ে ওই ঘটনার ফুটেজের কপি দাবি করেন।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা ফুটেজের কপি দিতে অস্বীকার করলে ছাত্রশিবির সমর্থিত হল সংসদের নেতারা তাঁদের পথ আটকে ধরেন। এ সময় হল সংসদের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম অভিযোগ করেন যে, প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ফুটেজের কপি না দিয়ে তদন্ত কমিটি সেখান থেকে যেতে পারবে না। একপর্যায়ে প্রক্টর উপাচার্যের কার্যালয়ে ফুটেজ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং নেতারা সরে দাঁড়ান।

প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন জানান, তদন্তের স্বার্থেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এই ফুটেজ জনসমক্ষে আনা বা হস্তান্তর করার সুযোগ নেই। বাদানুবাদের বিষয়ে তিনি জানান, কেন তালা খোলা হলো বা কেন ফুটেজ নেওয়া হচ্ছে—এসব নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাধার সৃষ্টি করেছিল। পরে তাদের বিষয়টি বুঝিয়ে ফুটেজ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ আগস্ট ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে। ওই দিন রাতে প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করেন হল সংসদের নেতা ও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা, যার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এসে প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধার করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। এই পুরো ঘটনা তদন্তের জন্যই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাত ৯টার দিকে প্রাধ্যক্ষকে হলে অবরুদ্ধ করেন হল সংসদের নেতা ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে হল প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে শিক্ষকদের পথ আগলে ধরলেন ছাত্রনেতারা

আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে শিক্ষার্থী হেনস্তার অভিযোগ ও প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে হল সংসদের নেতাদের তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে হলের প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতনের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটির সদস্যরা ১৬ আগস্টের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। খবর পেয়ে হল সংসদের নেতারা সেখানে গিয়ে ওই ঘটনার ফুটেজের কপি দাবি করেন।

তদন্ত কমিটির সদস্যরা ফুটেজের কপি দিতে অস্বীকার করলে ছাত্রশিবির সমর্থিত হল সংসদের নেতারা তাঁদের পথ আটকে ধরেন। এ সময় হল সংসদের ভিপি খন্দকার মো. আবু নাঈম অভিযোগ করেন যে, প্রক্টরিয়াল টিম ফুটেজ গায়েব করার চেষ্টা করছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ফুটেজের কপি না দিয়ে তদন্ত কমিটি সেখান থেকে যেতে পারবে না। একপর্যায়ে প্রক্টর উপাচার্যের কার্যালয়ে ফুটেজ দেখার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং নেতারা সরে দাঁড়ান।

প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল রতন জানান, তদন্তের স্বার্থেই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এই ফুটেজ জনসমক্ষে আনা বা হস্তান্তর করার সুযোগ নেই। বাদানুবাদের বিষয়ে তিনি জানান, কেন তালা খোলা হলো বা কেন ফুটেজ নেওয়া হচ্ছে—এসব নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাধার সৃষ্টি করেছিল। পরে তাদের বিষয়টি বুঝিয়ে ফুটেজ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৬ আগস্ট ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহিমকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে হেনস্তা করার অভিযোগ ওঠে। ওই দিন রাতে প্রাধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করেন হল সংসদের নেতা ও ছাত্রশিবিরের কর্মীরা, যার এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এসে প্রাধ্যক্ষকে উদ্ধার করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। এই পুরো ঘটনা তদন্তের জন্যই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ওই দিন রাত ৯টার দিকে প্রাধ্যক্ষকে হলে অবরুদ্ধ করেন হল সংসদের নেতা ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo