ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণের ভারে জর্জরিত খুলনার সুপার জুট মিল ও সুপারেক্স লেদার নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং দমনে ৫ দিনের অভিযানে আটক প্রায় ৫০০ ১৫ বছরের চুক্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে এএসআইসহ চারজন আটক ফোনে ‘নামতেছি’ বলে নিখোঁজ কাজল, স্বামীও আত্মগোপনে জন্মদিনে শুটিংয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী হিমি সব নাগরিককে সমান সুযোগ দিতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ভারত, রাষ্ট্রপতির মুখোমুখি বিরোধীরা বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও

বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল আরডিএ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি বা যান্ত্রিক শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফলতার দাবি করেছে পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি (আরডিএ)। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হতে পারে মাত্র এক টাকা ৫০ পয়সা। গত রোববার এরুলিয়ার বানদীঘি এলাকায় অবস্থিত পরীক্ষামূলক প্লান্টে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়, যেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দুটি পাম্প ও একটি ওয়েল্ডিং মেশিন চালানো হয়।

প্লান্টটি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক। পরিদর্শনের পর ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক জানান, প্রচলিত সৌরবিদ্যুতের তুলনায় এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী। তিনি উল্লেখ করেন, সার্বক্ষণিকভাবে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যেখানে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, সেখানে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে মাত্র ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

আরডিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সাল থেকে এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ২০১০ সালের পর গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই প্রকল্পটি ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং জলবায়ু ট্রাস্টে জমা দেওয়া হয়েছে।

গবেষণার সাথে যুক্ত আরডিএর উপপরিচালক ও কৃষিবিদ প্রকৌশলী ড. মনিরুল ইসলাম জানান, ২০১৪ সাল থেকে প্রযুক্তিটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে এবং ২০২৫ সাল থেকে এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে এই স্বল্পমূল্যের বিদ্যুৎ সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

কার্যকারিতা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং প্রযুক্তিটিকে বড় পরিসরে নিয়ে যেতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই প্রযুক্তি বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার স্থানীয় মেশিনারি শিল্পে বিপ্লব ঘটার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব নতুন বিকল্প তৈরি হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল আরডিএ

আপডেট সময় : ০৬:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

বগুড়ায় ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি বা যান্ত্রিক শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা ব্যবহার করে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফলতার দাবি করেছে পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমি (আরডিএ)। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে খরচ হতে পারে মাত্র এক টাকা ৫০ পয়সা। গত রোববার এরুলিয়ার বানদীঘি এলাকায় অবস্থিত পরীক্ষামূলক প্লান্টে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়, যেখানে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে দুটি পাম্প ও একটি ওয়েল্ডিং মেশিন চালানো হয়।

প্লান্টটি পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক। পরিদর্শনের পর ড. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক জানান, প্রচলিত সৌরবিদ্যুতের তুলনায় এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী। তিনি উল্লেখ করেন, সার্বক্ষণিকভাবে ১ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যেখানে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়, সেখানে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তিতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে মাত্র ২৫ কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে।

আরডিএ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সাল থেকে এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ২০১০ সালের পর গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফ্লাইহুইল প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই প্রকল্পটি ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং জলবায়ু ট্রাস্টে জমা দেওয়া হয়েছে।

গবেষণার সাথে যুক্ত আরডিএর উপপরিচালক ও কৃষিবিদ প্রকৌশলী ড. মনিরুল ইসলাম জানান, ২০১৪ সাল থেকে প্রযুক্তিটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা চলছে এবং ২০২৫ সাল থেকে এর পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বড় পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি পাওয়া গেলে এই স্বল্পমূল্যের বিদ্যুৎ সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে।

কার্যকারিতা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা বলেন, কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই উদ্যোগটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং প্রযুক্তিটিকে বড় পরিসরে নিয়ে যেতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন, এই প্রযুক্তি বাস্তবায়িত হলে বগুড়ার স্থানীয় মেশিনারি শিল্পে বিপ্লব ঘটার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে একটি সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব নতুন বিকল্প তৈরি হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh