ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি বছরেই সরকারি চাকরিজীবীদের পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র: সতর্কবার্তা ডারউইন টেস্টে স্মিথ-লিটনের কথার লড়াই: কী ঘটেছিল স্টাম্প মাইকে? সাত মাসে দেশে ৩৪১ নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের সার্বভৌম অধিকার পুনর্ব্যক্ত করল ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাপক হ্রাস: সপ্তাহান্তে মাত্র পাঁচটি জাহাজ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোটকে ট্রাম্পের সমর্থন শ্যামল, মোজাম্মেল ও রুপাকে ২৪ আগস্ট ট্রাইবুনালে হাজিরের নির্দেশ বিএনপি কি সরকারে মিশে যাচ্ছে? মাঠের চিত্র নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন তারেক রহমানের দ্রুত ভারত সফর প্রয়োজন: দীনেশ ত্রিবেদী

গ্যাস সংকটে ২৬ দিন ধরে বন্ধ ময়মনসিংহের বিদ্যুৎকেন্দ্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্বালানি বা গ্যাস সংকটের কারণে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে অবস্থিত আরপিসিএলের (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। টানা ২৬ দিন ধরে কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে আছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আরও দুটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পুরো ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

আরপিসিএল সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে শম্ভুগঞ্জে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালের পর থেকেই কেন্দ্রটি নিয়মিত গ্যাস সংকটের মুখে পড়ছে। বিগত বছরগুলোতে কোনোমতে টেনেটুনে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হলেও, জ্বালানি সরবরাহের অভাবে শেষ পর্যন্ত গত ২৬ দিন ধরে এর উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে ময়মনসিংহ আরপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, জ্বালানি সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এই সংকটের পেছনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত তেল-গ্যাস সংক্রান্ত চুক্তি এবং পরবর্তীতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভাগের সাধারণ বাসিন্দারা। বর্তমানে ময়মনসিংহ শহরের এলাকাগুলোতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম, বিদ্যুতের স্থায়ী অভাব এবং গ্যাস সংকটের ফলে গৃহস্থালির রান্নাবান্না, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস সংকটে ২৬ দিন ধরে বন্ধ ময়মনসিংহের বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি বা গ্যাস সংকটের কারণে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে অবস্থিত আরপিসিএলের (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। টানা ২৬ দিন ধরে কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে আছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আরও দুটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পুরো ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

আরপিসিএল সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে শম্ভুগঞ্জে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালের পর থেকেই কেন্দ্রটি নিয়মিত গ্যাস সংকটের মুখে পড়ছে। বিগত বছরগুলোতে কোনোমতে টেনেটুনে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হলেও, জ্বালানি সরবরাহের অভাবে শেষ পর্যন্ত গত ২৬ দিন ধরে এর উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে ময়মনসিংহ আরপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, জ্বালানি সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এই সংকটের পেছনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত তেল-গ্যাস সংক্রান্ত চুক্তি এবং পরবর্তীতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভাগের সাধারণ বাসিন্দারা। বর্তমানে ময়মনসিংহ শহরের এলাকাগুলোতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম, বিদ্যুতের স্থায়ী অভাব এবং গ্যাস সংকটের ফলে গৃহস্থালির রান্নাবান্না, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh