ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডারউইন টেস্টে জয়ের সুবাস বাংলাদেশের, হারের শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কর ফাঁকি রোধে এনবিআরের বহুমুখী উদ্যোগ জয়পুরহাটে চোর সন্দেহে দুই যুবককে নির্যাতন, একজনের মৃত্যু জয়পুরহাটে চোর সন্দেহে দুই যুবককে পিটিয়ে হত্যা ও জখম ইরানের সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের গতি দেখে হতবাক ইসরাইল বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার সদস্যের অন্তর্ভুক্তি নিঝুমদ্বীপে উন্নয়ন বরাদ্দ বন্ধের হুমকি এলজিইডি প্রকৌশলীর ১৫ আগস্ট নিয়ে ফেসবুকে যা বললেন ড. আসিফ নজরুল মিশিগানে বন্দুক হামলায় ৫ জনের মৃত্যু, সন্দেহভাজনের মরদেহ উদ্ধার জাতিসংঘ মিশন পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা টিসিবির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাজারদর কমিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যমান স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক বিতরণের পাশাপাশি খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির একটি নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের চিন্তা থেকেই এই নতুন উদ্যোগের সূত্রপাত।

এই পরিকল্পনার আওতায় বিদেশ থেকে তুলনামূলক কম দামে সংগৃহীত পণ্য কোনো সরকারি ভর্তুকি ছাড়াই প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করা হবে। টিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, পণ্য ও সংগ্রহমূল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতি ইউনিটে বাজারদরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ টাকা কম দামে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার এখানে কোনো ভর্তুকি দিচ্ছে না; বরং কম দামে কেনা পণ্য কিছুটা মুনাফায় কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ভোজ্যতেল দিয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেলের প্রথম চালান সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, ভোজ্যতেলের চাহিদা ও বর্তমান দাম বেশি হওয়ায় এটি দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ডাল ও চিনি কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে সেগুলোও খোলাবাজারে বিক্রির আওতায় আনা হবে।

এই কার্যক্রমটি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিকল্প নয়, বরং একটি অতিরিক্ত উদ্যোগ। প্রাথমিকভাবে তিন থেকে চার মাস এটি পরীক্ষা করে এর ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল জানান, প্রথম চালানটিকে 'পাইলট লট' হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এটি সফল হলে কার্যক্রমটি সম্প্রসারণ করা হবে। এই উদ্যোগের জন্য আলাদা কোনো বাজেটের প্রয়োজন নেই, কারণ টিসিবির চলতি বাজেটেই এর বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

টিসিবি সব সময় বাজারে হস্তক্ষেপ করবে না, তবে সরবরাহ বা দামের ওপর চাপ তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী টিসিবি খোলাবাজারে পণ্য নিয়ে আসবে। চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন যে, টিসিবির উপস্থিতি বাড়ানো গেলে সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের বাজারদর কমাতেও তা ভূমিকা রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা টিসিবির

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

বাজারদর কমিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যমান স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডভিত্তিক বিতরণের পাশাপাশি খোলাবাজারে পণ্য বিক্রির একটি নতুন পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের চিন্তা থেকেই এই নতুন উদ্যোগের সূত্রপাত।

এই পরিকল্পনার আওতায় বিদেশ থেকে তুলনামূলক কম দামে সংগৃহীত পণ্য কোনো সরকারি ভর্তুকি ছাড়াই প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করা হবে। টিসিবি চেয়ারম্যানের মতে, পণ্য ও সংগ্রহমূল্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতি ইউনিটে বাজারদরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ টাকা কম দামে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার এখানে কোনো ভর্তুকি দিচ্ছে না; বরং কম দামে কেনা পণ্য কিছুটা মুনাফায় কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করা হবে।

প্রাথমিকভাবে ভোজ্যতেল দিয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন ভোজ্যতেলের প্রথম চালান সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। টিসিবি চেয়ারম্যান জানান, ভোজ্যতেলের চাহিদা ও বর্তমান দাম বেশি হওয়ায় এটি দিয়ে কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ডাল ও চিনি কম দামে সংগ্রহ করতে পারলে সেগুলোও খোলাবাজারে বিক্রির আওতায় আনা হবে।

এই কার্যক্রমটি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিকল্প নয়, বরং একটি অতিরিক্ত উদ্যোগ। প্রাথমিকভাবে তিন থেকে চার মাস এটি পরীক্ষা করে এর ফলাফল মূল্যায়ন করা হবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল জানান, প্রথম চালানটিকে 'পাইলট লট' হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এটি সফল হলে কার্যক্রমটি সম্প্রসারণ করা হবে। এই উদ্যোগের জন্য আলাদা কোনো বাজেটের প্রয়োজন নেই, কারণ টিসিবির চলতি বাজেটেই এর বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

টিসিবি সব সময় বাজারে হস্তক্ষেপ করবে না, তবে সরবরাহ বা দামের ওপর চাপ তৈরি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী টিসিবি খোলাবাজারে পণ্য নিয়ে আসবে। চেয়ারম্যান আশা প্রকাশ করেন যে, টিসিবির উপস্থিতি বাড়ানো গেলে সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের বাজারদর কমাতেও তা ভূমিকা রাখবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor