ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাঠে অদ্ভূতকাণ্ড: প্রতিপক্ষের চুল ধরে টানায় ২ লাল কার্ড এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতা কমায়: রাষ্ট্রপতি উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক ব্যয় কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে, অক্টোবরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা দেশের চার জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটির পরিকল্পনা সরকারের কিশোরগঞ্জে পুলিশের কাছে পানির বাড়তি দাম নিল ম্যাক টেস্ট শপ নেগেটিভ বিষয় দর্শক বেশি দেখে: অপু বিশ্বাস ইরান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযানে মালামালের হিসাবে বড় অসঙ্গতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের একটি নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় চালানো অভিযানে জব্দ করা মালামালের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। গত ১২ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ওই অভিযানে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানানো হলেও, থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে এর মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র প্রায় তিন লাখ টাকা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে পুলিশ এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে জানানো হয়েছিল যে, গোডাউন থেকে ডার্বি, নেভি ও রয়েল ব্র্যান্ডের প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য দুই কোটি চার লাখ ১৪ হাজার টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে ওই রাতেই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কুষ্টিয়ার লিগ্যাল অফিসার কাজী মর্তুজা রেজা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় যে মামলাটি করেন, তার এজাহারে জব্দ তালিকায় মাত্র ২৫ হাজার শলাকা সিগারেট ও ২৫ বস্তা তামাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদী কাজী মর্তুজা রেজার দাবি, গোডাউন থেকে যে পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছিল, সেটিই এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস জানান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জব্দ করা মালামালের পরিমাণ ও মূল্য জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, দুই কোটি টাকার মালামাল কীভাবে মামলায় তিন লাখ টাকায় নেমে এলো, তা মামলার বাদী ভালো বলতে পারবেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, বাদীর দেওয়া বিবরণের ভিত্তিতেই মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কারখানায় থাকা নকল সিগারেট তৈরির মেশিনটির দামই প্রায় দুই কোটি টাকা, যা তালাবদ্ধ রাখা হলেও জব্দ তালিকায় সেটির কোনো উল্লেখ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ মে একই স্থানে র‌্যাব-১২ ও কাস্টমসের যৌথ অভিযানে পাঁচটি নকল সিগারেট তৈরির মেশিন ও প্রায় এক লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় উৎপাদন শুরুর অভিযোগ ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযানে মালামালের হিসাবে বড় অসঙ্গতি

আপডেট সময় : ০৫:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের একটি নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় চালানো অভিযানে জব্দ করা মালামালের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। গত ১২ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ওই অভিযানে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানানো হলেও, থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে এর মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র প্রায় তিন লাখ টাকা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে পুলিশ এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে জানানো হয়েছিল যে, গোডাউন থেকে ডার্বি, নেভি ও রয়েল ব্র্যান্ডের প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য দুই কোটি চার লাখ ১৪ হাজার টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে ওই রাতেই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কুষ্টিয়ার লিগ্যাল অফিসার কাজী মর্তুজা রেজা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় যে মামলাটি করেন, তার এজাহারে জব্দ তালিকায় মাত্র ২৫ হাজার শলাকা সিগারেট ও ২৫ বস্তা তামাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদী কাজী মর্তুজা রেজার দাবি, গোডাউন থেকে যে পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছিল, সেটিই এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস জানান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জব্দ করা মালামালের পরিমাণ ও মূল্য জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, দুই কোটি টাকার মালামাল কীভাবে মামলায় তিন লাখ টাকায় নেমে এলো, তা মামলার বাদী ভালো বলতে পারবেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, বাদীর দেওয়া বিবরণের ভিত্তিতেই মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কারখানায় থাকা নকল সিগারেট তৈরির মেশিনটির দামই প্রায় দুই কোটি টাকা, যা তালাবদ্ধ রাখা হলেও জব্দ তালিকায় সেটির কোনো উল্লেখ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ মে একই স্থানে র‌্যাব-১২ ও কাস্টমসের যৌথ অভিযানে পাঁচটি নকল সিগারেট তৈরির মেশিন ও প্রায় এক লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় উৎপাদন শুরুর অভিযোগ ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din