ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতারণার অভিযোগে সেলেনা গোমেজের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিনিয়োগকারীরা ভারতে ‘শান্তিপূর্ণ বিপ্লব’ ও দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক সোনম ওয়াংচুকের শহীদ কাদরীর ‘তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা’: প্রেম ও দ্রোহের আধুনিক গাথা সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল রফিকুল ইসলামের শেষ বিদায় ১৫ আগস্ট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা শাড়ি নিয়ে প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা দীপ্ত টিভিতে আসছে তুর্কি ড্রামা সিরিজ অনন্ত ভালোবাসা গ্যাস সংকটে হাহাকার: চুলা জ্বলছে না ঘরে, পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দিনাজপুরে গাড়ল পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন বেকার যুবকেরা মাতৃত্বই জীবনের সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ, বললেন স্মৃতি ইরানি

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযানে মালামালের হিসাবে বড় অসঙ্গতি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের একটি নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় চালানো অভিযানে জব্দ করা মালামালের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। গত ১২ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ওই অভিযানে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানানো হলেও, থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে এর মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র প্রায় তিন লাখ টাকা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে পুলিশ এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে জানানো হয়েছিল যে, গোডাউন থেকে ডার্বি, নেভি ও রয়েল ব্র্যান্ডের প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য দুই কোটি চার লাখ ১৪ হাজার টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে ওই রাতেই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কুষ্টিয়ার লিগ্যাল অফিসার কাজী মর্তুজা রেজা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় যে মামলাটি করেন, তার এজাহারে জব্দ তালিকায় মাত্র ২৫ হাজার শলাকা সিগারেট ও ২৫ বস্তা তামাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদী কাজী মর্তুজা রেজার দাবি, গোডাউন থেকে যে পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছিল, সেটিই এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস জানান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জব্দ করা মালামালের পরিমাণ ও মূল্য জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, দুই কোটি টাকার মালামাল কীভাবে মামলায় তিন লাখ টাকায় নেমে এলো, তা মামলার বাদী ভালো বলতে পারবেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, বাদীর দেওয়া বিবরণের ভিত্তিতেই মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কারখানায় থাকা নকল সিগারেট তৈরির মেশিনটির দামই প্রায় দুই কোটি টাকা, যা তালাবদ্ধ রাখা হলেও জব্দ তালিকায় সেটির কোনো উল্লেখ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ মে একই স্থানে র‌্যাব-১২ ও কাস্টমসের যৌথ অভিযানে পাঁচটি নকল সিগারেট তৈরির মেশিন ও প্রায় এক লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় উৎপাদন শুরুর অভিযোগ ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

দৌলতপুরে নকল সিগারেট কারখানায় অভিযানে মালামালের হিসাবে বড় অসঙ্গতি

আপডেট সময় : ০৫:১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের গড়বাড়িয়া গ্রামের একটি নকল সিগারেট তৈরির কারখানায় চালানো অভিযানে জব্দ করা মালামালের হিসাব নিয়ে বড় ধরনের অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। গত ১২ আগস্ট উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত ওই অভিযানে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানানো হলেও, থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে এর মূল্য দেখানো হয়েছে মাত্র প্রায় তিন লাখ টাকা।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে পুলিশ এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে জানানো হয়েছিল যে, গোডাউন থেকে ডার্বি, নেভি ও রয়েল ব্র্যান্ডের প্রায় ২০ লাখ শলাকা নকল সিগারেট এবং বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। অন্য একটি প্রতিবেদনে জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য দুই কোটি চার লাখ ১৪ হাজার টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তবে ওই রাতেই ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কুষ্টিয়ার লিগ্যাল অফিসার কাজী মর্তুজা রেজা বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় যে মামলাটি করেন, তার এজাহারে জব্দ তালিকায় মাত্র ২৫ হাজার শলাকা সিগারেট ও ২৫ বস্তা তামাকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার বাদী কাজী মর্তুজা রেজার দাবি, গোডাউন থেকে যে পরিমাণ মালামাল জব্দ করা হয়েছিল, সেটিই এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাস জানান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর প্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই জব্দ করা মালামালের পরিমাণ ও মূল্য জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, দুই কোটি টাকার মালামাল কীভাবে মামলায় তিন লাখ টাকায় নেমে এলো, তা মামলার বাদী ভালো বলতে পারবেন। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, বাদীর দেওয়া বিবরণের ভিত্তিতেই মামলা নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কারখানায় থাকা নকল সিগারেট তৈরির মেশিনটির দামই প্রায় দুই কোটি টাকা, যা তালাবদ্ধ রাখা হলেও জব্দ তালিকায় সেটির কোনো উল্লেখ নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ৯ মে একই স্থানে র‌্যাব-১২ ও কাস্টমসের যৌথ অভিযানে পাঁচটি নকল সিগারেট তৈরির মেশিন ও প্রায় এক লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করে কারখানাটি সিলগালা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখানে পুনরায় উৎপাদন শুরুর অভিযোগ ওঠে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din