ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর গ্যারেজে থাকা দুর্লভ বুগাত্তি ও তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার শাহজালালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের মধ্যরাতে বিক্ষোভ বিশ্ব পর্যটন দিবস: ডিজিটাল ও এআই প্রযুক্তিতে সাজছে বাংলাদেশের পর্যটন বিশ্বমঞ্চে নজর কাড়ল চীনা ফার্স্টলেডি পং লিউয়ানের গ্ল্যামার ও সফট পাওয়ার হুরুন ইন্ডিয়া রিচ লিস্ট: ১০ হাজার কোটি রুপির সম্পদ নিয়ে শীর্ষে শাহরুখ সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজার, মুদ্রা ও নিত্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতি নেপালে বন্যায় মৃত বেড়ে ১৪৫৩, নিখোঁজ এখনো প্রায় ৬ হাজার পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ব্যবধান গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষের বছরে পদ্মার সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার তাগিদ জাতিসংঘে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে জাইমা রহমানের নতুন দায়িত্ব

নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানাল কাতার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পারে—এমন যেকোনো উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি দোহায় আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাথে কাতারের গভীর কৌশলগত সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন রয়েছে, যা অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে যেকোনো প্রতিরক্ষাকাঠামো গড়ে তোলাকে কাতার ইতিবাচক মনে করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব, যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পবিত্র নগরী মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় তিন দেশ পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করবে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানো, সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যার লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং পারস্পরিক দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ধারণার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৭আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০৫

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানাল কাতার

আপডেট সময় : ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পারে—এমন যেকোনো উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি দোহায় আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাথে কাতারের গভীর কৌশলগত সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন রয়েছে, যা অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে যেকোনো প্রতিরক্ষাকাঠামো গড়ে তোলাকে কাতার ইতিবাচক মনে করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব, যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পবিত্র নগরী মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় তিন দেশ পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করবে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানো, সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যার লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং পারস্পরিক দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ধারণার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৭আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০৫

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh