ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাধ্যমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষকেরই নেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানাল কাতার ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ সাবেক প্রেসিডেন্ট ও এস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যাংকার সাময়িক বরখাস্ত খুলনার রূপসায় ইটভাটায় পাহারার সময় গুলি করে যুবক হত্যা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, দাবি ট্রাম্পের র‍্যাব বিলুপ্ত করে আসছে এসআরবি, খসড়া আইনে যা থাকছে রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির প্রস্তুতি সম্পন্ন বিয়ে করলেন সোহানা সাবা, জানালেন জীবনসঙ্গী ফয়সাল সামাদের পরিচয় ৩৫ বছর পর আবারও ভোটের পথে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানাল কাতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পারে—এমন যেকোনো উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি দোহায় আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাথে কাতারের গভীর কৌশলগত সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন রয়েছে, যা অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে যেকোনো প্রতিরক্ষাকাঠামো গড়ে তোলাকে কাতার ইতিবাচক মনে করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব, যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পবিত্র নগরী মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় তিন দেশ পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করবে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানো, সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যার লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং পারস্পরিক দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ধারণার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৭আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০৫

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানাল কাতার

আপডেট সময় : ১২:১৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
print news

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে পারে—এমন যেকোনো উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি দোহায় আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এই অবস্থানের কথা জানান। তিনি বলেন, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সাথে কাতারের গভীর কৌশলগত সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধন রয়েছে, যা অভিন্ন স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে যেকোনো প্রতিরক্ষাকাঠামো গড়ে তোলাকে কাতার ইতিবাচক মনে করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব, যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার পবিত্র নগরী মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় তিন দেশ পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করবে। এর মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানো, সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে, যার লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়, বরং পারস্পরিক দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং অভিন্ন নিরাপত্তা ধারণার ভিত্তিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৭আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০৫

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh