ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কর্ণফুলী ইপিজেডে ২০ বছরে বিনিয়োগ ৪১২ গুণ বৃদ্ধি নদীর সংখ্যা আছে, কিন্তু প্রাণ হারিয়েছে বাংলাদেশের নদ-নদী আলোকঝাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের মৃত্যুতে হুইপের শোক চট্টগ্রাম আদালতে নারীকে টেনেহিঁচড়ে মাইক্রোবাসে তুলে নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: কূটনীতিই একমাত্র সমাধানের পথ, দাবি তেহরানের দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা সরকারের জন্য অশনিসংকেত: টিআইবি সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার

এআই অবকাঠামোয় ৫০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য এনভিডিয়ার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অবকাঠামো নির্মাণে বড় ধরনের বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। এই লক্ষ্য পূরণে ওয়াল স্ট্রিটের ছয়টি শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে একটি নতুন অর্থায়ন প্ল্যাটফর্ম তৈরির ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। এনভিডিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি তৃতীয় পক্ষের মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই উদ্যোগে অংশ নিতে অ্যাপোলো, ব্ল্যাকরক, ব্ল্যাকস্টোন, ব্রুকফিল্ড, গোল্ডম্যান স্যাকস ও কেকেআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখনো কোনো চূড়ান্ত আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এছাড়া বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ বা অর্থায়ন কার্যক্রম শুরুর সময়সীমা নিয়েও বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং জানিয়েছেন, কোম্পানিটির কাছে এই সম্ভাব্য চুক্তিগুলোর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ১২৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দায়ভার নেওয়ার বিকল্প সুযোগ রয়েছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে এআই ডেটা সেন্টার, কম্পিউটিং অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং এনভিডিয়ার প্রযুক্তিনির্ভর ‘এআই ফ্যাক্টরি’ নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই প্ল্যাটফর্মটি এআই ডেভেলপার, বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকার এবং ক্লাউড সেবাদাতাদের বিশাল পরিসরে কম্পিউটিং সক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। একই সঙ্গে এটি সম্পদ ব্যবস্থাপক এবং বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বজুড়ে এআই সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে ডেটা সেন্টার নির্মাণে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী, ২০২৮ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টার অবকাঠামোয় কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের মূলধনের প্রয়োজন হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে কেবল প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নির্ভর না করে প্রাইভেট ক্রেডিট, প্রাইভেট ইকুইটি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নের দিকে ঝুঁকছে সংশ্লিষ্টরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

এআই অবকাঠামোয় ৫০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য এনভিডিয়ার

আপডেট সময় : ০৫:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অবকাঠামো নির্মাণে বড় ধরনের বিনিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। এই লক্ষ্য পূরণে ওয়াল স্ট্রিটের ছয়টি শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে একটি নতুন অর্থায়ন প্ল্যাটফর্ম তৈরির ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। এনভিডিয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি তৃতীয় পক্ষের মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই উদ্যোগে অংশ নিতে অ্যাপোলো, ব্ল্যাকরক, ব্ল্যাকস্টোন, ব্রুকফিল্ড, গোল্ডম্যান স্যাকস ও কেকেআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। তবে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এখনো কোনো চূড়ান্ত আর্থিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এছাড়া বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ বা অর্থায়ন কার্যক্রম শুরুর সময়সীমা নিয়েও বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াং জানিয়েছেন, কোম্পানিটির কাছে এই সম্ভাব্য চুক্তিগুলোর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ১২৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত দায়ভার নেওয়ার বিকল্প সুযোগ রয়েছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে এআই ডেটা সেন্টার, কম্পিউটিং অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং এনভিডিয়ার প্রযুক্তিনির্ভর ‘এআই ফ্যাক্টরি’ নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নতুন এই প্ল্যাটফর্মটি এআই ডেভেলপার, বড় বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান, সরকার এবং ক্লাউড সেবাদাতাদের বিশাল পরিসরে কম্পিউটিং সক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। একই সঙ্গে এটি সম্পদ ব্যবস্থাপক এবং বেসরকারি মূলধন বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী আয়ের উৎস হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বজুড়ে এআই সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে ডেটা সেন্টার নির্মাণে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী, ২০২৮ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টার অবকাঠামোয় কয়েক ট্রিলিয়ন ডলারের মূলধনের প্রয়োজন হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে কেবল প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নির্ভর না করে প্রাইভেট ক্রেডিট, প্রাইভেট ইকুইটি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অর্থায়নের দিকে ঝুঁকছে সংশ্লিষ্টরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh