ঢাকা ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতির কবলে অর্থনীতি, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঘাটতি ২৭.২৮ বিলিয়ন ডলার আন্দোলনকারীদের বাড়ি পোড়ানোর নির্দেশ: হাসিনা-কাদের-হাছানের ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাসপাতালে ২৫ পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মরক্কোর ফুটবলপ্রধান লেকজার রাজনীতিতে যোগদান নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক মেসির বাবার শেষ বিদায়ে ড্রোন ওড়ানোয় আটক এক সংবাদকর্মী ইরানের কাছে পাল্টা ক্ষতিপূরণ দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবেক মেয়র পিন্টুর খোঁজ নিলেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আজ বৈঠকে বসছেন সিইসি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন করে সাজাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা, চোর স্লোগান ও বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। রোববার দুপুরে হালিশহরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তার গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা, ইট ও চটি জুতো নিক্ষেপ করে এবং ‘চোর চোর’ ও ‘চোর ও ডাকাতরানী’ স্লোগান দেয়। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সঙ্গী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন ও দলের আইটি সেলের প্রধান উপাসনা চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নিহত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। বিজেপি ইট মেরেছে। গাড়ির কী অবস্থা করেছে। পশ্চিমবঙ্গ গুন্ডাদের হাতে চলে গেছে। আমার মাথা ফেটে যেত। এখানে মরে যেতাম। পুলিশ বিজেপিকেই প্রোটেকশন দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে ‘লুম্পেনদের’ সুরক্ষা দিচ্ছে এবং এ নিয়ে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “পরিকল্পনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারার চক্রান্ত হচ্ছে। সঠিক বিচার হবেই।” তিনি পুলিশ হেফাজতে তৃণমূল কর্মী মৃত্যুর ঘটনার জেরে ডিজি এবং সিপি’র ইস্তফা দাবি করেন। অপরদিকে বিজেপি পাল্টা অভিযোগ করেছে যে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এলাকাটিতে উস্কানি দিতে এসেছিলেন এবং সাধারণ মানুষ তার প্রতিবাদ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, তোলাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে কাঁচরাপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করেছিল হালিশহর থানা। শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। কিন্তু শনিবার জানা যায়, পুলিশি হেফাজতেই তার মৃত্যু হয়েছে। জেনির অভিযোগ, লকআপের ভেতরে পুলিশের মারধরের কারণেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, “রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে আর কিছু নেই।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা, চোর স্লোগান ও বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
print news

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। রোববার দুপুরে হালিশহরে নিহত এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা তার গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা, ইট ও চটি জুতো নিক্ষেপ করে এবং ‘চোর চোর’ ও ‘চোর ও ডাকাতরানী’ স্লোগান দেয়। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়লেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সঙ্গী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেন ও দলের আইটি সেলের প্রধান উপাসনা চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নিহত তৃণমূল কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। বিজেপি ইট মেরেছে। গাড়ির কী অবস্থা করেছে। পশ্চিমবঙ্গ গুন্ডাদের হাতে চলে গেছে। আমার মাথা ফেটে যেত। এখানে মরে যেতাম। পুলিশ বিজেপিকেই প্রোটেকশন দিচ্ছে।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে ‘লুম্পেনদের’ সুরক্ষা দিচ্ছে এবং এ নিয়ে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, “পরিকল্পনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারার চক্রান্ত হচ্ছে। সঠিক বিচার হবেই।” তিনি পুলিশ হেফাজতে তৃণমূল কর্মী মৃত্যুর ঘটনার জেরে ডিজি এবং সিপি’র ইস্তফা দাবি করেন। অপরদিকে বিজেপি পাল্টা অভিযোগ করেছে যে, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এলাকাটিতে উস্কানি দিতে এসেছিলেন এবং সাধারণ মানুষ তার প্রতিবাদ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, তোলাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে কাঁচরাপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর জেনি শর্মা কেওটের স্বামী বিরজু কেওটকে গ্রেপ্তার করেছিল হালিশহর থানা। শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। কিন্তু শনিবার জানা যায়, পুলিশি হেফাজতেই তার মৃত্যু হয়েছে। জেনির অভিযোগ, লকআপের ভেতরে পুলিশের মারধরের কারণেই তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, “রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে আর কিছু নেই।”

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin