ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগে শিক্ষকদের বদলি, পরে ৯ম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ময়মনসিংহে ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগারের কার্যক্রম শুরু সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই জুলাইয়ের আত্মত্যাগের প্রকৃত মূল্যায়ন : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ও ভোটার তালিকা নিয়ে যা জানালেন ইসি সচিব স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, তবে নেই সুস্পষ্ট নির্দেশনা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি: ভোটার তালিকা চাইল নির্বাচন কমিশন সবুজ শিল্পাঞ্চল গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, ইপিজেডে বৃক্ষরোপণের সিদ্ধান্ত ককরোচ আন্দোলন: কটূক্তিকারী শিক্ষার্থীদের ‘পথভ্রষ্ট’ বলে ক্ষমা করলেন মোদি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, তবে নেই সুস্পষ্ট নির্দেশনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনো সরকারের কাছ থেকে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির কাজে কোনো ধীরগতি নেই, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় কিছু বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে সচিব জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার সুযোগ ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাখা হয়েছিল। তবে নির্বাচনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এই সময়সীমা পরিবর্তন হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

নির্বাচন কমিশন আইন সংশোধনের বিষয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এসব সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। তবে বর্তমানে দুজন নির্বাচন কমিশনার দেশের বাইরে থাকায় তাদের ফেরার পরই এটি পাঠানো হবে।

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় তিন মাসের প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের তারিখের মধ্যে ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর বা ডিসেম্বরের কথা শোনা গেলেও সুস্পষ্ট তথ্যের অভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলে তিনি জানান।

নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির তিনটি মূল দিক হলো বিধিমালা ও আইন, ইকুইপমেন্ট এবং প্রশিক্ষণ। আখতার আহমেদ বলেন, আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে, পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্ট ও ভোটকেন্দ্র রয়েছে। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য টিওটি মডেলে মাস্টার ট্রেইনার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বাড়তি কোনো সংলাপের আপাতত পরিকল্পনা নেই বলেও তিনি জানান।

এদিকে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিষয়ে ইসি সচিব জানান, ৫৯টি দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ স্থগিত রয়েছে। বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল হিসাব জমা দিয়েছে, ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি। সাড়া না দেওয়া দলগুলোকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল এখনো ঠিক হয়নি এবং সংসদ সচিবালয়ের কাছ থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, তবে নেই সুস্পষ্ট নির্দেশনা

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
print news

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখনো সরকারের কাছ থেকে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। সোমবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির কাজে কোনো ধীরগতি নেই, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা না থাকায় কিছু বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিষয়ে সচিব জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার সুযোগ ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাখা হয়েছিল। তবে নির্বাচনের বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এই সময়সীমা পরিবর্তন হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

নির্বাচন কমিশন আইন সংশোধনের বিষয়ে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এসব সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। তবে বর্তমানে দুজন নির্বাচন কমিশনার দেশের বাইরে থাকায় তাদের ফেরার পরই এটি পাঠানো হবে।

আগামী অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করা সম্ভব কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব জানান, একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় তিন মাসের প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের তারিখের মধ্যে ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও প্রিন্ট করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর বা ডিসেম্বরের কথা শোনা গেলেও সুস্পষ্ট তথ্যের অভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলে তিনি জানান।

নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির তিনটি মূল দিক হলো বিধিমালা ও আইন, ইকুইপমেন্ট এবং প্রশিক্ষণ। আখতার আহমেদ বলেন, আচরণ বিধিমালা প্রস্তুত করা হয়েছে, পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্ট ও ভোটকেন্দ্র রয়েছে। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য টিওটি মডেলে মাস্টার ট্রেইনার তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বাড়তি কোনো সংলাপের আপাতত পরিকল্পনা নেই বলেও তিনি জানান।

এদিকে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার বিষয়ে ইসি সচিব জানান, ৫৯টি দলের মধ্যে আওয়ামী লীগ স্থগিত রয়েছে। বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল হিসাব জমা দিয়েছে, ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি। সাড়া না দেওয়া দলগুলোকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল এখনো ঠিক হয়নি এবং সংসদ সচিবালয়ের কাছ থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh