জুমার দিনের ফজিলত ও বরকতময় ৫টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া

- আপডেট সময় : ১১:০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

ইসলামি শরিয়তে জুমার দিন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। এ দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ, ইস্তিগফার, কোরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া করা অত্যন্ত উত্তম আমল। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, আসর থেকে মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়টি দোয়া কবুলের জন্য একটি বিশেষ মুহূর্ত।
১. দরুদ শরিফ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ। অর্থ: হে আল্লাহ! হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন।
২. ক্ষমা প্রার্থনার দোয়া: রাব্বিগফির লি ওয়া তুব আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়াবুর রহিম। অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি তওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু।
৩. দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের দোয়া: রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাঁও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাঁও ওয়া কিনা আজাবান নার। অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখিরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।
৪. পিতা-মাতার জন্য দোয়া: রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগিরা। অর্থ: হে আমার রব! তাঁদের প্রতি দয়া করুন, যেমন তাঁরা শৈশবে আমাকে লালন-পালন করেছেন।
৫. হেদায়াত ও অন্তরের প্রশান্তির জন্য: ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কলবি আলা দ্বিনিক। অর্থ: হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অটল রাখুন।
জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে রয়েছে বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা, সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা এবং নিজের, পরিবার ও সমগ্র উম্মাহর জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা।



























