ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইএসইউতে এআই ও ডেটা সায়েন্স নিয়ে নতুন বিএসসি প্রোগ্রাম চালু ঈশ্বরগঞ্জে বাস-ট্রলি সংঘর্ষে ধান ব্যবসায়ী নিহত আজই জানা যাবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির নাম ভারতে কাজ করতে না পারায় ক্ষোভ নেই, নিষেধাজ্ঞার প্রতি কৃতজ্ঞ আতিফ আসলাম দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার নতুন ঠিকানা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিয়ের পাঁচ মাস পর গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে নোয়াখালীতে জামায়াতের র‍্যালি ও সভা ফিফায় কিংসের অভিযোগ বেড়ে ১৪, নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আবাহনী টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ ছাড়ছেন নটরাজন চন্দ্রশেখরণ বিতর্কিত নওমিকে এশিয়ান গেমসে নারী দলের ম্যানেজার করল বাফুফে

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও গুনাহ মাফের ৫টি উপায়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসলামে ইবাদতকে সামাজিকভাবে আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা ইসলামের প্রধান খুঁটি হিসেবে বিবেচিত, তা জামাতের সঙ্গে আদায় করলে এর আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও নৈতিক প্রভাব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বারবার নামাজের গুরুত্ব এবং জামাতে তা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।

সুরা বাকারার ২৩৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা নামাজের হেফাজত করো, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাজের এবং আল্লাহর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়াও।’ একই সুরার ৪৩ নম্বর আয়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ এই আয়াতের শেষাংশের ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো’ নির্দেশনাটি জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের আবশ্যিকতা ও গুরুত্বের একটি সুস্পষ্ট দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। এমনকি যুদ্ধের মতো অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আল্লাহ জামাতে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা সাধারণ সময়ে এর গুরুত্ব কতখানি তা প্রমাণ করে। সুরা নিসার ১০২ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন এবং তাদের নিয়ে নামাজ কায়েম করেন, তখন যেন তাদের একটি দল আপনার সঙ্গে অস্ত্রসহ দাঁড়ায়। তারা যখন সিজদা সম্পন্ন করবে, তখন যেন তারা সরে গিয়ে আপনাদের পেছনে চলে যায় এবং অন্য দল যারা এখনো নামাজ পড়েনি, তারা যেন আপনার সঙ্গে নামাজ পড়ে।’

জামাতে অংশ না নেওয়ার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। সহিহ বুখারির ২৪২০ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি কাঠ জমা করার নির্দেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়ার নির্দেশ দিই, এরপর কোনো ব্যক্তিকে বলি সে যেন মানুষকে নামাজ পড়ায় এবং আমি নিজে গিয়ে সেই সব লোকদের (যারা জামাতে আসে না) ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিই।’ এমনকি অন্ধ সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুমা (রা.) আজানের শব্দ শুনতে পেতেন বলে তাকেও মসজিদে এসে জামাতে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন আল্লাহর রাসুল (সা.)।

জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে গুনাহ মাফের চমৎকার কিছু উপায়ের কথা হাদিসে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি উপায় হলো:

উত্তম অজু: সুন্দরভাবে অজু করার মাধ্যমে মানুষের শরীরের গুনাহ ঝরে যায়। সহিহ মুসলিমের ৫৭৮ নম্বর হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করে, তার শরীরের গুনাহগুলো এমনকি নখের নিচ থেকেও ঝরে যায়।’প্রতি কদমে সওয়াব: মসজিদে হেঁটে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে সওয়াব মেলে। সহিহ মুসলিমের ২৩২ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের জন্য মসজিদে হেঁটে যায়, তার একটি কদম গুনাহ মোচন করে এবং অন্য কদমটি নেকি বৃদ্ধি করে।’নামাজের অপেক্ষা: মসজিদে বসে নামাজের জন্য অপেক্ষা করাও ইবাদতের সমতুল্য। সহিহ বুখারির ৬৫১ নম্বর হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যতক্ষণ তোমরা মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় থাকো, ততক্ষণ তোমরা নামাজের সওয়াবই পেতে থাকো।’ এ সময় ফেরেশতারাও ওই ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে থাকেন।গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্রতা: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষের গুনাহ ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়। সহিহ বুখারির ৫২৮ নম্বর হাদিসে বর্ণিত একটি উপমায় রাসুল (সা.) সাহাবিদের জিজ্ঞেস করেন, কারও দরজার সামনে যদি একটি নদী থাকে এবং সে প্রতিদিন পাঁচবার সেখানে গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা থাকবে? সাহাবিরা ‘না’ বললে রাসুল (সা.) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজও ঠিক তেমনি—এর মাধ্যমে আল্লাহ গুনাহ মুছে ফেলেন।প্রথম কাতারের ফজিলত: জামাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সুনানে ইবনে মাজাহর ৮২২ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সা.) প্রথম কাতারের মুসল্লিদের জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কোনো উপযুক্ত কারণ ছাড়া জামাত বর্জন করা মোনাফেকের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত অত্যন্ত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করা এবং নিজের পরিবারের সদস্যদেরও জামাতে নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া।

আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি কাঠ জমা করার নির্দেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়ার নির্দেশ দিই, এরপর কোনো ব্যক্তিকে বলি সে যেন মানুষকে নামাজ পড়ায় এবং আমি নিজে গিয়ে সেই সব লোকদের (যারা জামাতে আসে না) ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিই।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৪২০)এমনকি অন্ধ সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম (রা.)-কেও রাসুল (সা.) মসজিদে এসে

উত্তম অজু: রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করে, তার শরীরের গুনাহগুলো এমনকি নখের নিচ থেকেও ঝরে যায়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৭৮)২.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও গুনাহ মাফের ৫টি উপায়

আপডেট সময় : ০৬:২০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইসলামে ইবাদতকে সামাজিকভাবে আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা ইসলামের প্রধান খুঁটি হিসেবে বিবেচিত, তা জামাতের সঙ্গে আদায় করলে এর আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও নৈতিক প্রভাব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বারবার নামাজের গুরুত্ব এবং জামাতে তা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।

সুরা বাকারার ২৩৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা নামাজের হেফাজত করো, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাজের এবং আল্লাহর সামনে বিনীতভাবে দাঁড়াও।’ একই সুরার ৪৩ নম্বর আয়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো।’ এই আয়াতের শেষাংশের ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু করো’ নির্দেশনাটি জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের আবশ্যিকতা ও গুরুত্বের একটি সুস্পষ্ট দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়। এমনকি যুদ্ধের মতো অত্যন্ত কঠিন ও প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আল্লাহ জামাতে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যা সাধারণ সময়ে এর গুরুত্ব কতখানি তা প্রমাণ করে। সুরা নিসার ১০২ নম্বর আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন এবং তাদের নিয়ে নামাজ কায়েম করেন, তখন যেন তাদের একটি দল আপনার সঙ্গে অস্ত্রসহ দাঁড়ায়। তারা যখন সিজদা সম্পন্ন করবে, তখন যেন তারা সরে গিয়ে আপনাদের পেছনে চলে যায় এবং অন্য দল যারা এখনো নামাজ পড়েনি, তারা যেন আপনার সঙ্গে নামাজ পড়ে।’

জামাতে অংশ না নেওয়ার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। সহিহ বুখারির ২৪২০ নম্বর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ! আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি কাঠ জমা করার নির্দেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়ার নির্দেশ দিই, এরপর কোনো ব্যক্তিকে বলি সে যেন মানুষকে নামাজ পড়ায় এবং আমি নিজে গিয়ে সেই সব লোকদের (যারা জামাতে আসে না) ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিই।’ এমনকি অন্ধ সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুমা (রা.) আজানের শব্দ শুনতে পেতেন বলে তাকেও মসজিদে এসে জামাতে নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন আল্লাহর রাসুল (সা.)।

জামাতে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে গুনাহ মাফের চমৎকার কিছু উপায়ের কথা হাদিসে এসেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি উপায় হলো:

উত্তম অজু: সুন্দরভাবে অজু করার মাধ্যমে মানুষের শরীরের গুনাহ ঝরে যায়। সহিহ মুসলিমের ৫৭৮ নম্বর হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করে, তার শরীরের গুনাহগুলো এমনকি নখের নিচ থেকেও ঝরে যায়।’প্রতি কদমে সওয়াব: মসজিদে হেঁটে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে সওয়াব মেলে। সহিহ মুসলিমের ২৩২ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের জন্য মসজিদে হেঁটে যায়, তার একটি কদম গুনাহ মোচন করে এবং অন্য কদমটি নেকি বৃদ্ধি করে।’নামাজের অপেক্ষা: মসজিদে বসে নামাজের জন্য অপেক্ষা করাও ইবাদতের সমতুল্য। সহিহ বুখারির ৬৫১ নম্বর হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যতক্ষণ তোমরা মসজিদে নামাজের অপেক্ষায় থাকো, ততক্ষণ তোমরা নামাজের সওয়াবই পেতে থাকো।’ এ সময় ফেরেশতারাও ওই ব্যক্তির জন্য দোয়া করতে থাকেন।গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ পবিত্রতা: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মানুষের গুনাহ ধুয়ে মুছে সাফ করে দেয়। সহিহ বুখারির ৫২৮ নম্বর হাদিসে বর্ণিত একটি উপমায় রাসুল (সা.) সাহাবিদের জিজ্ঞেস করেন, কারও দরজার সামনে যদি একটি নদী থাকে এবং সে প্রতিদিন পাঁচবার সেখানে গোসল করে, তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা থাকবে? সাহাবিরা ‘না’ বললে রাসুল (সা.) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজও ঠিক তেমনি—এর মাধ্যমে আল্লাহ গুনাহ মুছে ফেলেন।প্রথম কাতারের ফজিলত: জামাতের প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর বিশেষ ফজিলত রয়েছে। সুনানে ইবনে মাজাহর ৮২২ নম্বর হাদিস অনুযায়ী, রাসুল (সা.) প্রথম কাতারের মুসল্লিদের জন্য তিনবার এবং দ্বিতীয় কাতারের জন্য একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কোনো উপযুক্ত কারণ ছাড়া জামাত বর্জন করা মোনাফেকের লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত অত্যন্ত ভয় ও ভক্তির সঙ্গে মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করা এবং নিজের পরিবারের সদস্যদেরও জামাতে নামাজ আদায়ের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া।

আমার ইচ্ছা হয় যে, আমি কাঠ জমা করার নির্দেশ দিই, তারপর নামাজের আজান দেওয়ার নির্দেশ দিই, এরপর কোনো ব্যক্তিকে বলি সে যেন মানুষকে নামাজ পড়ায় এবং আমি নিজে গিয়ে সেই সব লোকদের (যারা জামাতে আসে না) ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিই।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৪২০)এমনকি অন্ধ সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম (রা.)-কেও রাসুল (সা.) মসজিদে এসে

উত্তম অজু: রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করে, তার শরীরের গুনাহগুলো এমনকি নখের নিচ থেকেও ঝরে যায়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৫৭৮)২.

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo