ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্তে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন নিয়ে যা বললেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান কিম জং উনের মৃত্যুর গুঞ্জন নাকচ, প্রকাশ পেল নতুন ছবি ২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি, ১০ মার্চ ঈদ জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ায় রোনালদোকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিল পর্তুগাল আমার কপালে ঝামেলা লেখা, মেনে নিয়েছি: পরীমনি জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য আট সমঝোতা স্মারক সই সখীপুরে অটোভ্যানসহ নিখোঁজ কিশোরের কঙ্কাল উদ্ধার জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও ইনডেক্স কর্তনের নির্দেশ মসজিদ ও মাদরাসা কমপ্লেক্স পরিচালনা ও অর্থ ব্যয়ের শরিয়তি বিধান

ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা: বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যা কেবল একটি খেলার ভবিষ্যৎ নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক শাসনের গতিপথকে আমূল বদলে দিতে পারে। জুরিখভিত্তিক বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সর্বশেষ উদ্যোগটি ঠিক তেমনই এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। সংস্থাটি তাদের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া সম্পদ—ফিফা বিশ্বকাপসহ অন্যান্য প্রধান প্রতিযোগিতার সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং টিকিট বিক্রির বাণিজ্যিক অধিকার একটি নতুন কোম্পানির অধীনে আনার পরিকল্পনা করেছে। এই নতুন কোম্পানির প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত কেবল একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং এটি বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার কাঠামো পুনর্গঠনের একটি সম্ভাব্য সূচনা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই উদ্যোগকে ফুটবলের জন্য একটি “ঐতিহাসিক সুযোগ” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে কয়েক বিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগ আসবে, যা আগামী চার বছরে বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে সহায়তা করবে। এই অর্থ আফ্রিকা, এশিয়া, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় ছোট দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন, নারী ফুটবলের প্রসার, যুব একাডেমি গঠন এবং অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন ইনফান্তিনো।

প্রথম দর্শনে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করা কঠিন। কারণ ফুটবলের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো, এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হওয়া সত্ত্বেও এর উন্নয়নের সুযোগ অত্যন্ত অসমভাবে বণ্টিত। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো যেখানে এক মৌসুমেই শত শত মিলিয়ন ইউরো আয় করে, সেখানে আফ্রিকা বা দক্ষিণ এশিয়ার বহু জাতীয় ফেডারেশন বছরে একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের অর্থ সংগ্রহ করতেই হিমশিম খায়। সেই বাস্তবতায় এই নতুন অর্থায়নের ধারণাটি স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় বলে মনে হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিফার নতুন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা: বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার সমীকরণ বদলের ইঙ্গিত

আপডেট সময় : ১২:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যা কেবল একটি খেলার ভবিষ্যৎ নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক শাসনের গতিপথকে আমূল বদলে দিতে পারে। জুরিখভিত্তিক বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সর্বশেষ উদ্যোগটি ঠিক তেমনই এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে। সংস্থাটি তাদের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া সম্পদ—ফিফা বিশ্বকাপসহ অন্যান্য প্রধান প্রতিযোগিতার সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং টিকিট বিক্রির বাণিজ্যিক অধিকার একটি নতুন কোম্পানির অধীনে আনার পরিকল্পনা করেছে। এই নতুন কোম্পানির প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির সিদ্ধান্ত কেবল একটি আর্থিক লেনদেন নয়, বরং এটি বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার কাঠামো পুনর্গঠনের একটি সম্ভাব্য সূচনা।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই উদ্যোগকে ফুটবলের জন্য একটি “ঐতিহাসিক সুযোগ” হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে কয়েক বিলিয়ন ডলারের নতুন বিনিয়োগ আসবে, যা আগামী চার বছরে বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে সহায়তা করবে। এই অর্থ আফ্রিকা, এশিয়া, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় ছোট দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন, নারী ফুটবলের প্রসার, যুব একাডেমি গঠন এবং অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করার কথা জানিয়েছেন ইনফান্তিনো।

প্রথম দর্শনে এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করা কঠিন। কারণ ফুটবলের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য হলো, এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হওয়া সত্ত্বেও এর উন্নয়নের সুযোগ অত্যন্ত অসমভাবে বণ্টিত। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলো যেখানে এক মৌসুমেই শত শত মিলিয়ন ইউরো আয় করে, সেখানে আফ্রিকা বা দক্ষিণ এশিয়ার বহু জাতীয় ফেডারেশন বছরে একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের অর্থ সংগ্রহ করতেই হিমশিম খায়। সেই বাস্তবতায় এই নতুন অর্থায়নের ধারণাটি স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় বলে মনে হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin