জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬: দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে আলী-জাহান অ্যাগ্রো

- আপডেট সময় : ১০:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’। “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গত ৯ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব এখন মুখরিত বৃক্ষপ্রেমীদের পদচারণায়। ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬, বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫ এবং সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মাঝে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে এবারের মেলায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন বেসরকারি নার্সারির মোট ১২০টি স্টল অংশ নিয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগমে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে নান্দনিক সাজসজ্জা ও সমৃদ্ধ চারা প্রদর্শনীর মাধ্যমে বিশেষভাবে নজর কাড়ছে ৪৫ নম্বর স্টলের 'আলী-জাহান অ্যাগ্রো'। কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নয়, স্টলটিতে প্রদর্শিত বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি গাছের সংগ্রহ মেলায় আসা মানুষের প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।
নগর জীবনে সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখার জন্য পরিকল্পিত সবুজায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে আলী-জাহান অ্যাগ্রো। মেগাসিটি ঢাকার পরিবেশ রক্ষায় বাসাবাড়ির ছাদ, বেলকনি এবং ইনডোর স্পেসের উপযোগী ও স্বাস্থ্যবান্ধব বিশেষ উদ্ভিদের সমাহার ঘটিয়েছে তারা। এসব চারা ক্রেতাদের জন্য তুলনামূলক সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। সরকারের পরিবেশ উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সচেতনভাবে সবুজায়ন বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে জাতীয় বননীতির আওতায় বৃক্ষরোপণকে একটি রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দিতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। আগামী ৫ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের একটি মহাপরিকল্পনা সফল করতে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এই কর্মসূচিকে শতভাগ সফল করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর আওতায় জিআইএস (GIS), রিমোট সেন্সিং, ন্যাশনাল ট্রাই ডাটাবেজ এবং ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বনায়ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। সরকারের এই বিশাল উদ্যোগের ফলে দেশে প্রায় ৩.৫ লক্ষাধিক নতুন ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ সৃষ্টি হবে এবং ১০,০০০ নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।



























