ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাঁচ ছাত্র সংসদের পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি আরোপ করল ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত চুল পড়ার পেছনে থাইরয়েড দায়ী কি না বুঝবেন যেভাবে নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি: বাকৃবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন ও সংহতি নেপালে বন্যায় মৃতদেহ সংরক্ষণে মর্গে জায়গা সংকট অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটকে বাংলাদেশ বড় বার্তা দিয়েছে: তালহা জুবায়ের ওআইসির নতুন মহাসচিব নির্বাচিত হলেন ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ সৈয়দপুরে বাসের লকারে ২৪ কেজি গাঁজা, নারী গ্রেপ্তার আজ কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসনের জন্মদিন ৯/১১-কে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ না বলার নির্দেশ নিয়ে সিবিসির সমালোচনা

ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬-এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবটি অনুমোদনের পর জানানো হয় যে, নতুন এই আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ)-এর কার্যক্রম একীভূত করা হবে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা দূর হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে। আইনটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সব শিল্পাঞ্চলকে এক কাঠামোর আওতায় আনা, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি বা স্থাপনা উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ রাখা। এছাড়া বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সব সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে। নতুন জ্বালানি কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে নতুন সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন ২০২৬-এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন

আপডেট সময় : ০২:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজ ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১২তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবটি অনুমোদনের পর জানানো হয় যে, নতুন এই আইনের আওতায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ)-এর কার্যক্রম একীভূত করা হবে।

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সমন্বয়কারী সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন, নিবন্ধন, আমদানি-রপ্তানি, প্রণোদনা, শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সিঙ্গেল উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, অনুমোদন ও লাইসেন্সিং প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই আইন কার্যকর হলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিদ্যমান নীতিগত অসামঞ্জস্যতা কমবে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বের দ্বৈততা দূর হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে উঠবে। আইনটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সব শিল্পাঞ্চলকে এক কাঠামোর আওতায় আনা, লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রদানের সময়সীমা নির্ধারণ, ক্ষুদ্র পিপিপি প্রকল্পে সহজ অনুমোদনের ব্যবস্থা এবং অব্যবহৃত সরকারি জমি বা স্থাপনা উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের সুযোগ রাখা। এছাড়া বিনিয়োগ ও ব্যবসা-সংক্রান্ত সব সেবা একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ এবং ‘আমদানি নীতি আদেশ, ২০২৬-২০২৯’-এর খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে। নতুন জ্বালানি কৌশলপত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন আমদানি নীতি আদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমদানি প্রক্রিয়া সহজীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউজ, অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে নতুন সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din