ব্রাজিলের বর্তমান ফুটবল মান দেখে বমি আসে: ইউরি জোরকায়েফ
- আপডেট সময় : ১১:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সফল দল ব্রাজিল দীর্ঘ সময় ধরেই তাদের হারানো ঐতিহ্য ও সাম্বা ফুটবলের চেনা সৌন্দর্য খুঁজে ফিরছে। ২০০২ সালে সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের পর থেকে শিরোপার স্বাদ না পাওয়া সেলেসাওরা ২০২৬ বিশ্বকাপেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন আশার সঞ্চার হলেও শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। কেবল ফলাফল নয়, মাঠের পারফরম্যান্সেও সৃজনশীলতা, গতি ও আক্রমণের ধার ছিল অনুপস্থিত।
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ বর্তমান ব্রাজিল দলের খেলা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি সরাসরি বলেছেন, ব্রাজিলের খেলা দেখলে তার বমি আসে। ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের হয়ে খেলা এই তারকা ফুটবলার মনে করেন, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি মান এখন অনেকটাই হারিয়ে গেছে। তার মতে, বর্তমান দলে টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড়ের বড় অভাব রয়েছে।
জোরকায়েফ বলেন, বর্তমানে দলে ৩৫ বছর বয়সী নেইমার ছাড়া আর কেউ নেই, যিনি দীর্ঘ দিন খেলার বাইরে থাকা সত্ত্বেও মাঠে নেমে কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেন। বাকিদের নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা এখন কোথায়? তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দের কঠোর সমালোচনা করে আধুনিক স্ট্রাইকারদের মান নিয়ে হালান্ড ও এন্ড্রিকের উদাহরণ টেনেছেন।
জোরকায়েফের ভাষায়, একজন খেলোয়াড়ের মান বলতে তিনি প্রথম টাচ ও বল নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতাকে বোঝেন। নরওয়ের দ্বিতীয় গোল করার সময় হালান্ড যেভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করে জায়গা তৈরি করে শট নিয়েছেন, তাকেই তিনি মানসম্মত ফুটবল বলে অভিহিত করেছেন। বিপরীতে এন্ড্রিকের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গোলরক্ষকের সামনে পুরোপুরি ফাঁকা থাকা অবস্থায় যদি বলটি রোনালদোর কাছে থাকত, তবে তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে সহজেই তা জালে পাঠাতে পারতেন। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ের পাশাপাশি ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছেন জোরকায়েফ।


























