জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম ঈদুল আজহার নামাজে শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা
- আপডেট সময় : ১০:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

ফখরুল আলম সাজু
আজ পবিত্র ঈদুল আজহা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ১টি বড় দিন, এই দিনে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন সন্তুষ্টি লাভের জন্য পশু কোরবানি দেয়া হয়।
আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে কঠিক ১টি পরিক্ষা সম্মুক্ষে করেন, যেখানে আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন হযরত ইব্রাহিম (আঃ) স্বপ্ন মধ্যে বলে তোমার প্রিয় বস্তু আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দাও, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) একে একে তার প্রিয় বস্তু আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দেয়, তারপরে ও আল্লাহ পাক আবার হযরত ইব্রাহীম (আঃ) স্বপ্ন দেখিয়ে বলে তোমার প্রিয় বস্তু আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দাও, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বার বার স্বপ্নে দেখি প্রিয় বস্তু আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দিতে বলেন, আমি আল্লাহ রাস্তায় আমার প্রিয় বস্তু একে একে করে কোরবানি দিয়েছি, আমার প্রিয় বস্তু কে এভেবে চিন্তায় পড়ে যায় হযরত ইব্রাহীম (আঃ)।
তখন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) বলেন, আমার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু হল আমার কলিজা টুকরা সন্তান হযরত ইসমাইল (আঃ) এর থেকে আমার ছেলে প্রিয় বস্তু ছাড়া আর কেউ নেই, তখন হযরত ইব্রাহীম (আঃ) সিদ্ধান্ত নেন তার ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দেবে, কিন্তু আল্লাহ হুকুমে হযরত ইসমাইল (আঃ) সরিয়ে সেখানে পশু কোরবানি হয়, সে থেকে মুসলমানদের কোরবানি প্রতা চালু হয় আল্লাহ হুকুমে কোরবানি ফরজ হয়, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) নিজের ছেলে হযরত ইসমাইল (আঃ) আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দিয়ে দুনিয়ার পরিক্ষায় হয়।

মুসলমানদের কোরবানি হয় জিলহজ্ব মাসে সৌদিআরব হাজীরা হজ্ব পালন শেষে আল্লাহ রাস্তায় কোরবানি দেয়া হয়, বাংলাদেশ তার পরের দিন ঈদুল আজহা হয়, আল্লাহ রাস্তায় পশু কোরবানি দেয়া হয়।
২৮ মে বৃহস্পতিবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম ঈদুল আজহা নামাজের ৪টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়, ১ম জামাত সকাল ৭টা, ২য় জামাত সকাল ৮টা, ৩য় জামাত সকাল ৯টা, এবং সর্বশেষ জানাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সাড়ে ১০টা, এতে সকলে ঈদুল আজহা নামাজ জামাতে অংশগ্রহণ করেন, রাজনৈতিক নেতা, পুলিশ প্রশাসন, এবং ধর্ম মুসলিম প্রিয় ভাই ও বোনেরা ঈদুল আজহা নামাজ এর জামাতে, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে মহিলাদের জন্য নামাজের এর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে ঈদুল আজহাতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে, প্রতিটি মুসলমান ভাইদের চেক করে মসজিদ এরিয়া প্রবেশ করতে দে, সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়।



























