ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করল উপজেলা প্রশাসন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসছে বড় ধরনের রদবদল প্রেমের টানে মাদারীপুরে চীনা যুবক, ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ের ইচ্ছা বাবার মৃত্যুতে সাদামাটা জন্মদিন কাটাচ্ছেন শ্রাবণ্য তৌহিদা নতুন ভিডিওতে সীতার রণরূপে সাই পল্লবী, রামায়ণে রণবীর-যশ যমুনায় কোটি টাকার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস করলো মৎস্য বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা ও গরুর মাংস ঘিরে রাজনীতির বিশ্লেষণ রায়পুরে মন্দিরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে চেলসি গোলরক্ষক মার্তিনেজ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বসন্তবরণ

গবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বসন্তবরণ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

“আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে” বসন্তবরণ-১৪২৯ বঙ্গাব্দ আয়োজন করে সাভারের অদূরে প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি)। “এসো মিলি প্রাণের উৎসবে” সাংস্কৃতিক চর্চায় গবি সব সময় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ট্রাস্টের চেয়ারপারসন এবং সম্মানিত ট্রাস্টি গবি অধ্যাপক আলতাফুন্নেছা মায়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ট্রান্সপোর্ট চত্বরে দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধনের সময় অধ্যাপক আলতাফুন্নেসা বলেন, ‘শুভ বসন্ত! ভালবাসা দিবস মানেই বসন্তের ভালবাসা। বসন্তের ভালবাসার মধ্যে দিয়েই দেশকে ভালবাসবো, দেশের কথা চিন্তা করবো। বসন্তে সুন্দর কোকিলের ডাক শোনা যায়। বসন্ত বর্ণিল রূপে আসে। মাঘ মাসের শেষের থেকে বসন্তে ফুল ফোটার কথা কিন্তু গাছের একটিও ফুল নেই। অথচ এই মাসটাকেই ফুলের রাজা বলা হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের এক মাসের জন্য গ্রামে পাঠায়। গ্রামে পাঠানোর একটিই কারণ গ্রামের লোকদের অভাব-অনটন, গ্রামের সম্পর্কে জানা, খাবার দাওয়ার ধরণ জানা, কে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, কার কবর কোথায় আছে সেগুলো জেনে আসার জন্য। একেক ব্যাচ একেক জায়গায় যায়। এর অর্থ হলো বিভিন্ন বইয়ের মাধ্যমে কত বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস উঠে না আসে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হোসেন বলেন, ষড়ঋতুর দেশ আমাদের বাংলাদেশ। বসন্ত হচ্ছে শীতের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে আরেকটা ঋতুতে প্রবেশ করা।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাবর্তন করা। নিয়মিত উপাচার্য ছাড়া সনদপত্র আমরা কাউকে দিতে পারি না। উপাচার্য নিয়োগের প্রচেষ্টা চলছে। আমরা আশা করি, দ্রত উপাচার্য নিয়োগ পেলেই আমরা সমাবর্তন করবো। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক উৎসব চলছে। আমরা সবগুলো চালিয়ে যেতে চাই। 

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ এস. তাসাদ্দেক আহমেদ। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানরা, শিক্ষকদের সরব উপস্থিতি ছিলেন।

সম্পূর্ণ উৎসবকে দু’টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম পর্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বসন্ত উৎসব এর বিশেষ আলোচনা এবং দ্বিতীয় পর্বে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবের শেষভাগে থাকবে গণ বিশ্ববিদ্যালয় মিউজিক কমিউনিটির সদস্যদের পরিবেশনায় কিছু বসন্তের গান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বসন্তবরণ

আপডেট সময় : ০৫:০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

“আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে” বসন্তবরণ-১৪২৯ বঙ্গাব্দ আয়োজন করে সাভারের অদূরে প্রতিষ্ঠিত সাংস্কৃতিক এবং ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি)। “এসো মিলি প্রাণের উৎসবে” সাংস্কৃতিক চর্চায় গবি সব সময় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আসছে।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ট্রাস্টের চেয়ারপারসন এবং সম্মানিত ট্রাস্টি গবি অধ্যাপক আলতাফুন্নেছা মায়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ট্রান্সপোর্ট চত্বরে দিনব্যাপী আয়োজিত এই উৎসবের উদ্বোধনের সময় অধ্যাপক আলতাফুন্নেসা বলেন, ‘শুভ বসন্ত! ভালবাসা দিবস মানেই বসন্তের ভালবাসা। বসন্তের ভালবাসার মধ্যে দিয়েই দেশকে ভালবাসবো, দেশের কথা চিন্তা করবো। বসন্তে সুন্দর কোকিলের ডাক শোনা যায়। বসন্ত বর্ণিল রূপে আসে। মাঘ মাসের শেষের থেকে বসন্তে ফুল ফোটার কথা কিন্তু গাছের একটিও ফুল নেই। অথচ এই মাসটাকেই ফুলের রাজা বলা হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থীদের এক মাসের জন্য গ্রামে পাঠায়। গ্রামে পাঠানোর একটিই কারণ গ্রামের লোকদের অভাব-অনটন, গ্রামের সম্পর্কে জানা, খাবার দাওয়ার ধরণ জানা, কে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলো, কার কবর কোথায় আছে সেগুলো জেনে আসার জন্য। একেক ব্যাচ একেক জায়গায় যায়। এর অর্থ হলো বিভিন্ন বইয়ের মাধ্যমে কত বিভিন্ন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস উঠে না আসে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হোসেন বলেন, ষড়ঋতুর দেশ আমাদের বাংলাদেশ। বসন্ত হচ্ছে শীতের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে আরেকটা ঋতুতে প্রবেশ করা।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাবর্তন করা। নিয়মিত উপাচার্য ছাড়া সনদপত্র আমরা কাউকে দিতে পারি না। উপাচার্য নিয়োগের প্রচেষ্টা চলছে। আমরা আশা করি, দ্রত উপাচার্য নিয়োগ পেলেই আমরা সমাবর্তন করবো। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক উৎসব চলছে। আমরা সবগুলো চালিয়ে যেতে চাই। 

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ এস. তাসাদ্দেক আহমেদ। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানরা, শিক্ষকদের সরব উপস্থিতি ছিলেন।

সম্পূর্ণ উৎসবকে দু’টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম পর্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও বসন্ত উৎসব এর বিশেষ আলোচনা এবং দ্বিতীয় পর্বে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক আয়োজন। উৎসবের শেষভাগে থাকবে গণ বিশ্ববিদ্যালয় মিউজিক কমিউনিটির সদস্যদের পরিবেশনায় কিছু বসন্তের গান।