দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে হারিয়ে ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ‘এ’
- আপডেট সময় : ০২:০১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বৃষ্টির বাধায় প্রথম দুই ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছিল শেষ ম্যাচটি। প্রথম ম্যাচে মাত্র ১১ ওভার খেলা হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচটি পুরোপুরি পরিত্যক্ত হয়। তবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ৫ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল। তবে শুরু থেকেই সফরকারী বাংলাদেশের স্পিনারদের তোপের মুখে পড়ে তারা। আলিস আল ইসলাম ও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিজাদুতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে প্রোটিয়ারা। দলের পক্ষে লড়াই করার চেষ্টা করেন কেবল মার্কুয়েস অ্যাকেরম্যান ও ইমরান মানাক। অ্যাকেরম্যান ব্যক্তিগত ৫৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। শেষদিকে ইমরান মানাক খেলেন ৪৩ রানের ইনিংস।
স্বাগতিকদের বাকি ব্যাটারদের কেউই তেমন সুবিধা করতে পারেননি। রিভালদো মুনসামি ১, সিনেথেম্বা ৫, ম্যাথিউ ডি ভিলিয়ার্স ০, মিহলাই ৪ এবং ডিয়ান ফরেস্টার ৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এছাড়া কাইল সিমন্ডস ১৫, মারেকি ৯ এবং ওকুহলে চেলে ৪ রান যোগ করলে শেষ পর্যন্ত ১৮২ রানেই গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ইনিংস।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন রিশাদ হোসেন। তিনি ৪৫ রান খরচ করে শিকার করেন ৪টি উইকেট। আরেক স্পিনার আলিস আল ইসলামও ছিলেন দারুণ কিপটে ও কার্যকরী; মাত্র ৩৫ রান দিয়ে তিনি নেন ৩টি উইকেট। এছাড়া বাকি তিন বোলার একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।
জয়ের জন্য ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। উদ্বোধনী জুটিতেই সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ যোগ করেন ৯২ রান, যা জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়। দুই ওপেনারই তুলে নেন চমৎকার হাফসেঞ্চুরি। সাইফ হাসান ৫৩ বলে ৬১ রান করে আউট হন। অন্যদিকে ৭৭ বল খেলে ৬০ রানের ইনিংস উপহার দেন নাঈম শেখ।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর পারভেজ হোসেন ইমন ১৭, নুরুল হাসান সোহান ১৬ এবং মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ৩ রান করে আউট হলে কিছুটা ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে আফিফ হোসেন ও রিশাদ হোসেন মিলে বাকি পথটুকু সহজেই পাড়ি দেন। আফিফ ৬ এবং রিশাদ ৫ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।




























