চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেকে কোমোর রূপকথার জয়: লাইপজিগকে হারাল ৪-১ গোলে
- আপডেট সময় : ০২:৩৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

ইউরোপীয় ফুটবলে কোমোর এই উত্থান যেন এক রূপকথার গল্প। বৃহস্পতিবার রাতে সেই রূপকথার পালে নতুন হাওয়া দিয়েছে সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের দল। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেই জার্মান জায়ান্ট আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করে তারা ইউরোপীয় মঞ্চে নিজেদের আগমনী বার্তা জানান দিয়েছে। অভিষেক ম্যাচের স্নায়ুচাপ এড়িয়ে অভিজ্ঞ দলের মতো পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে কোমোর ফুটবলাররা।
ম্যাচের আগে কোচ ফ্যাব্রেগাস এই লড়াইয়ের গুরুত্ব কিছুটা হালকা করার কৌশলে বলেছিলেন, ‘লাইপজিগের বিরুদ্ধে এটি আর দশটা সাধারণ ম্যাচের মতোই।’ তার এই মানসিক কৌশল পুরোপুরি সফল হয়েছে। ঘরের মাঠে দর্শকদের উন্মাদনায় লাইপজিগ দিশাহারা থাকলেও কোমোর ফুটবলাররা খেলেছেন বুক চিতিয়ে, যেন ইউরোপের সেরা অভিজাত ক্লাবের সারিতেই তাদের জন্ম।
ম্যাচের আগে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা নিকো পাজ শতভাগ ফিট না থাকা সত্ত্বেও চমৎকার দুটি অ্যাসিস্ট করে নিজের জাত চিনিয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবারের রাতটি ছিল ক্রোয়েশিয়ান প্লে-মেকার মার্টিন বাতুরিনার। তাসোস দুভিকাসের বাড়ানো পাস থেকে জাদুকরী এক ফিনিশিংয়ে তিনি কোমোকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসের প্রথম গোলটি উপহার দেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন আসামানে দিয়াও। গত মৌসুমের ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা দিয়াও উইং ধরে লাইপজিগের রক্ষণভাগকে প্রতিনিয়ত তটস্থ রেখেছেন এবং ৫৪ মিনিটে পাজের বানিয়ে দেওয়া বল থেকে দলের তৃতীয় গোলটি করেছেন।
আধুনিক ‘নাম্বার নাইন’-এর ভূমিকায় দুভিকাস দলের ভারসাম্যে বড় ভূমিকা রাখেন। ম্যাচের ইনজুরি টাইমে পাজের দুর্দান্ত এক থ্রু-বল ধরে বিকল্প হিসেবে নামা মাক্সিমো পেরোনে ৪-১ গোলের জয় নিশ্চিত করেন। কোমোর প্রতিটি আক্রমণ ও মুভমেন্ট ছিল ফ্যাব্রেগাসের ছকে আঁকা। শুধু রক্ষণ সামলে ড্র করার মানসিকতা নয়, বরং হাই-প্রেসিংয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে এক মুহূর্ত স্বস্তি না দেওয়ার লক্ষ্যেই নেমেছিল তারা। দ্বিতীয়ার্ধে লাইপজিগ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও পাসের গতি ও ড্রিবলিংয়ের টেকনিকে কোমো নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে।





























