ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভারতে তিন মাসে ২৫ মুসলিম হত্যায় নিরাপত্তা বাহিনী ও হিন্দুত্ববাদীরা ২৩ বছর পর ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ফিরছে বাংলাদেশ সিলেট বিআরটিসি কাউন্টার দখলে জামায়াত নেতা, ইজারা নিয়ে বিতর্ক ৬ জেলায় চিলিং সেন্টার ইনচার্জ নিয়োগ দেবে আকিজ ডেইরি চীনে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন, রেড অ্যালার্ট জারি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, ঝুঁকিতে দেশের অর্থনীতি ক্ষমতার দম্ভ স্থায়ী নয়, আইনের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান ডা. জাহিদের ইসলামের দৃষ্টিতে মাটিতে বিচরণকারী যেসব প্রাণী খাওয়া নিষেধ মক্কায় বিশ্বনবীর স্মৃতিবিজড়িত পাঁচটি ঐতিহাসিক মসজিদ

২৩ বছর পর ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ফিরছে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মারারা স্টেডিয়ামের বয়স মাত্র ৩৫ বছর। এই মাঠে ২৩ বছর পর আবারও টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনের এই মাঠটি বাংলাদেশের কাছে এক বিশেষ স্মৃতিময় স্থান। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড ট্যুর সিরিজের প্রথম টেস্টটি হয়েছিল এই মারারা স্টেডিয়ামেই, যেখানে বাংলাদেশ ইনিংস ও ১৩২ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। এর এক বছর পর ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ও সর্বশেষ টেস্টেও স্বাগতিকরা ১৪৯ রানে জয়ী হয়।

বাংলাদেশ দল এই মাঠে বেশ নিয়মিতই খেলেছে। ২০০৩ সালের সফরের পর ২০০৮ সালে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ আবারও ডারউইনে যায়। সব মিলিয়ে চারটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলে মারারা স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা বিদেশি দল বাংলাদেশই। ১৭ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টির মাধ্যমে মাঠটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মেলবোর্ন বা সিডনির তুলনায় ডারউইনে এই সময়ে টেস্ট আয়োজন করা সুবিধাজনক। মেলবোর্ন ও সিডনিতে শীতের হিমেল হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডারউইনে থাকে শুকনো মৌসুম। এ সময় তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে এবং আর্দ্রতা থাকে ৩০-৩৫ শতাংশের মধ্যে।

মারারা স্টেডিয়াম ড্রপ-ইন পিচে খেলা হওয়া প্রথম মাঠগুলোর একটি। প্রধান কিউরেটর জেক পাভলিচ দুই সপ্তাহ আগে এই পিচ বসানোর তদারকি করেছেন। ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়া পাভলিচের জন্য এটিই প্রথম টেস্ট পিচ প্রস্তুত করার অভিজ্ঞতা। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রানপ্রসবা হলেও, লাল বলের ক্রিকেটে পিচটি শুরুতে পেসারদের সাহায্য করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধীরগতির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়লে উইকেট ফেটে যেতে পারে, ফলে স্পিনাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে ২২ বছর আগের মাত্র দুটি টেস্টের পরিসংখ্যান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ দল এই মাঠের পাশের একটি ভেন্যুতে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। সেই ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার স্বল্প পরিচিত পেসার ক্যাম্পবেল টম্পসনের তোপে বাংলাদেশ মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল এবং ম্যাচটি ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরেছিল। প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরি ছাড়া বলার মতো কোনো পারফরম্যান্স ছিল না।

প্রথম টেস্টের একাদশে জায়গা পেলে স্থানীয় ক্রিকেটার জ্যাক ওয়েদারাল্ডের জন্য এটি হবে আবেগের মুহূর্ত। ২৩ বছর আগে দর্শক হিসেবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দেখা সেই বালকই এখন নর্দার্ন টেরিটোরির প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে নিজের চেনা দর্শকদের সামনে নামার অপেক্ষায় আছেন।

সেই দুই ম্যাচে টিম ডেভিড ৫২ বলে ৮৩ আর ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ৫৬ বলে ১২৫ রানের দুটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

২৩ বছর পর ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ফিরছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
print news

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মারারা স্টেডিয়ামের বয়স মাত্র ৩৫ বছর। এই মাঠে ২৩ বছর পর আবারও টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। ডারউইনের এই মাঠটি বাংলাদেশের কাছে এক বিশেষ স্মৃতিময় স্থান। ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার টপ এন্ড ট্যুর সিরিজের প্রথম টেস্টটি হয়েছিল এই মারারা স্টেডিয়ামেই, যেখানে বাংলাদেশ ইনিংস ও ১৩২ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। এর এক বছর পর ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ও সর্বশেষ টেস্টেও স্বাগতিকরা ১৪৯ রানে জয়ী হয়।

বাংলাদেশ দল এই মাঠে বেশ নিয়মিতই খেলেছে। ২০০৩ সালের সফরের পর ২০০৮ সালে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ আবারও ডারউইনে যায়। সব মিলিয়ে চারটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট খেলে মারারা স্টেডিয়ামে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা বিদেশি দল বাংলাদেশই। ১৭ বছরের দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টির মাধ্যমে মাঠটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরেছিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে মেলবোর্ন বা সিডনির তুলনায় ডারউইনে এই সময়ে টেস্ট আয়োজন করা সুবিধাজনক। মেলবোর্ন ও সিডনিতে শীতের হিমেল হাওয়া ও বৃষ্টির কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডারউইনে থাকে শুকনো মৌসুম। এ সময় তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকে এবং আর্দ্রতা থাকে ৩০-৩৫ শতাংশের মধ্যে।

মারারা স্টেডিয়াম ড্রপ-ইন পিচে খেলা হওয়া প্রথম মাঠগুলোর একটি। প্রধান কিউরেটর জেক পাভলিচ দুই সপ্তাহ আগে এই পিচ বসানোর তদারকি করেছেন। ২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়া পাভলিচের জন্য এটিই প্রথম টেস্ট পিচ প্রস্তুত করার অভিজ্ঞতা। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে রানপ্রসবা হলেও, লাল বলের ক্রিকেটে পিচটি শুরুতে পেসারদের সাহায্য করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধীরগতির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়লে উইকেট ফেটে যেতে পারে, ফলে স্পিনাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে ২২ বছর আগের মাত্র দুটি টেস্টের পরিসংখ্যান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ দল এই মাঠের পাশের একটি ভেন্যুতে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। সেই ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার স্বল্প পরিচিত পেসার ক্যাম্পবেল টম্পসনের তোপে বাংলাদেশ মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল এবং ম্যাচটি ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরেছিল। প্রথম ইনিংসে মেহেদী হাসান মিরাজের সেঞ্চুরি ছাড়া বলার মতো কোনো পারফরম্যান্স ছিল না।

প্রথম টেস্টের একাদশে জায়গা পেলে স্থানীয় ক্রিকেটার জ্যাক ওয়েদারাল্ডের জন্য এটি হবে আবেগের মুহূর্ত। ২৩ বছর আগে দর্শক হিসেবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দেখা সেই বালকই এখন নর্দার্ন টেরিটোরির প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে নিজের চেনা দর্শকদের সামনে নামার অপেক্ষায় আছেন।

সেই দুই ম্যাচে টিম ডেভিড ৫২ বলে ৮৩ আর ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ৫৬ বলে ১২৫ রানের দুটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo