অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে আশাবাদী প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার

- আপডেট সময় : ১১:১৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

পেসার মুশফিক হাসান বাংলাদেশ দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের সবচেয়ে তরুণ সদস্য। এই তরুণের জন্মের পরের বছরই বাংলাদেশ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছিল, যেখানে দুই ম্যাচেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল টাইগাররা। দীর্ঘ ২৩ বছর পর সেখানে খেলার সুযোগ মিললেও, নাজমুল হোসেন শান্তর দল এখন ইনজুরির কারণে বেশ চাপের মুখে। দলের নিয়মিত সদস্য লিটন দাস ও শরিফুল ইসলাম প্রথম টেস্টের দলে নেই, আর তরুণ গতিময় পেসার নাহিদ রানা পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন।
দলের শক্তির এই ঘাটতি যে বড় ধাক্কা, তা স্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন। তবে মিরপুরে দল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমরা অস্ট্রেলিয়া থেকে শুধু ফল নয়, সম্মান নিয়েও ফিরতে চাই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গত এক বছরে বাংলাদেশ টেস্টে বেশ ধারাবাহিক ছিল এবং দলটির ভারসাম্যও ভালো ছিল। শেষ মুহূর্তে চোটের কারণে পরিকল্পনায় বড় প্রভাব পড়লেও, তারা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলেন যদি অন্তত একজন খেলোয়াড়ও সুস্থ হয়ে ওঠেন।
হাবিবুল বাশার বলেন, এটা শুধু দুর্ভাগ্যজনক নয়, কিছুটা হতাশাজনকও। তবে এখন আমাদের হাতে থাকা সেরা দল নিয়েই এগোতে হবে। যারা প্রস্তুত আছেন, তাদের নিয়েই আমরা আশাবাদী যে অস্ট্রেলিয়ায় ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব দূর করতে পাঁচ বছর পর টেস্ট দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে সৌম্য সরকারকে। নির্বাচকদের মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে যারা রান করেছেন তারা এখনো নতুন, তাই অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন সফরে তাদের পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত।
এদিকে, দলের এত পেসারের ইনজুরি এবং ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার উত্তরে প্রধান নির্বাচক জানান যে একজন ফাস্ট বোলারের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বোলিং করা জরুরি। নাহিদ রানার প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, ফাস্ট বোলারদের 'গ্রিন জোন'-এ থাকার জন্য নির্দিষ্ট ম্যাচ খেলা প্রয়োজন, তাই পরিকল্পনার ঘাটতি বা সমালোচনার সঙ্গে তিনি একমত নন।





























