চীন থেকে শত শত মিসাইল কিনছে ইরান, রয়টার্সের প্রতিবেদন
- আপডেট সময় : ১২:১৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে চীন থেকে শত শত কাঁধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করছে ইরান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তিনজন সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রায় ৬ কোটি থেকে ৭ কোটি ডলার মূল্যের এই চুক্তির আওতায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মিসাইলের প্রথম চালান তেহরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চুক্তির আওতায় ইরান ৩ থেকে ৪ শোল্ডার-লঞ্চড এয়ার-ডিফেন্স সিস্টেম সংগ্রহ করছে, যার মধ্যে চীনের তৈরি কিউডব্লিউ-১২ এবং এফএন-১৬ ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত। হংকং-ভিত্তিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান ‘ঝংচিং বাওশাং ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট’-এর মাধ্যমে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। ইনফ্রারেড-গাইডেড এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা সম্ভব এবং এগুলো কম উচ্চতায় উড্ডয়নকারী যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রের এই চালান চীনের উরুমচি থেকে পাকিস্তানের আকাশ বা সড়ক পথ হয়ে ইরানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সাম্প্রতিক যুদ্ধে মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে বোমাবর্ষণ বন্ধ রাখলেও, শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় হামলার হুমকি দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের স্বল্প পাল্লার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত জোরদার করতে তেহরান এই ক্ষেপণাস্ত্র আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে এই প্রতিবেদন নিয়ে চীন ও পাকিস্তান উভয় দেশই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তারা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর জনসংযোগ শাখা এই প্রক্রিয়ায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা সরাসরি অস্বীকার করে একে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করেছে।


























