ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফিফা সভাপতির চ্যালেঞ্জার হতে পারেন নরওয়ের লিসে ক্লাভেনেস অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা ও ছড়ানো কি আইনত অপরাধ? আসামের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের ঘর তৈরি করছেন সালমান খান ইয়াশের ‘টক্সিক’ ট্রেলার: সঙ্গে কিয়ারা-নয়নতারা ও অ্যাকশনের নতুন জগৎ সালমান শাহের সঙ্গে প্রথম কাজের স্মৃতিচারণ করলেন তুষার খান দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ, সিএনজি স্টেশনে কমছে ভোগান্তি জ্বর নিয়েই শুটিংয়ে অবিকা, শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট, সিদ্ধান্ত কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল

বোস্টনের মাঠে মরক্কোকে হারিয়ে ফরাসি নীলে রঙিন বিশ্বকাপের আসর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকল। ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আধিপত্য থাকলেও এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস ছিল এক বড় নাটকীয় মুহূর্ত। মরক্কোর মাজরাউয়ি তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ আসে, কিন্তু এমবাপ্পের দুর্বল শটটি মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু সহজেই রুখে দেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্র নন এমবাপ্পে। ৬০ মিনিট পর্যন্ত লড়াইয়ের পর অবশেষে তিনি নিজের গোলটি বের করে নেন। এর ঠিক ছয় মিনিট পরেই উসমান দেম্বেলে গোল করে মরক্কোর জয়ের সব স্বপ্ন ভেঙে দেন।

মরক্কোর পারফরম্যান্স ছিল আশানুরূপ নয়। প্রথমার্ধেই তাদের খেলায় ছন্দহীনতা এবং ভুল ট্যাকটিক্সের ছাপ স্পষ্ট ছিল, যা কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। সেবারও ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল মরক্কো। এবারও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটল। দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এমবাপ্পে ও হাকিমির লড়াই ঘিরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।

এমবাপ্পে এই ম্যাচে তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করেছিলেন—একটি গোল, একটি পেনাল্টি মিস এবং দেম্বেলের গোলটির নেপথ্যে থাকা দুর্দান্ত কারিগরি। বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে মেসিকে সমানতালে টেক্কা দিচ্ছেন এই ফরাসি তারকা। কাউন্টার-অ্যাটাকে তার গতি প্রতিপক্ষের জন্য বরাবরই ভয়ের কারণ। মরক্কোর দলে থাকা ছয়জন ফুটবলারের জন্ম ফ্রান্সে হওয়া সত্ত্বেও মাঠের লড়াইয়ে তারা কোনো সুবিধা করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ফরাসি নীলেই রঙিন হয়ে উঠল বিশ্বকাপের এই আসর এবং মরক্কোর বদলা নেওয়ার সব আশা ধূলিসাৎ হয়ে গেল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বোস্টনের মাঠে মরক্কোকে হারিয়ে ফরাসি নীলে রঙিন বিশ্বকাপের আসর

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
print news

বোস্টন স্টেডিয়ামে মরক্কোর বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকল। ম্যাচের শুরু থেকেই ফ্রান্সের আধিপত্য থাকলেও এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস ছিল এক বড় নাটকীয় মুহূর্ত। মরক্কোর মাজরাউয়ি তাকে ফাউল করলে পেনাল্টির সুযোগ আসে, কিন্তু এমবাপ্পের দুর্বল শটটি মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু সহজেই রুখে দেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্র নন এমবাপ্পে। ৬০ মিনিট পর্যন্ত লড়াইয়ের পর অবশেষে তিনি নিজের গোলটি বের করে নেন। এর ঠিক ছয় মিনিট পরেই উসমান দেম্বেলে গোল করে মরক্কোর জয়ের সব স্বপ্ন ভেঙে দেন।

মরক্কোর পারফরম্যান্স ছিল আশানুরূপ নয়। প্রথমার্ধেই তাদের খেলায় ছন্দহীনতা এবং ভুল ট্যাকটিক্সের ছাপ স্পষ্ট ছিল, যা কাতার বিশ্বকাপের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। সেবারও ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল মরক্কো। এবারও সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটল। দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু এমবাপ্পে ও হাকিমির লড়াই ঘিরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত এমবাপ্পেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখেন।

এমবাপ্পে এই ম্যাচে তিনটি বড় সুযোগ তৈরি করেছিলেন—একটি গোল, একটি পেনাল্টি মিস এবং দেম্বেলের গোলটির নেপথ্যে থাকা দুর্দান্ত কারিগরি। বর্তমানে ৮ গোল নিয়ে মেসিকে সমানতালে টেক্কা দিচ্ছেন এই ফরাসি তারকা। কাউন্টার-অ্যাটাকে তার গতি প্রতিপক্ষের জন্য বরাবরই ভয়ের কারণ। মরক্কোর দলে থাকা ছয়জন ফুটবলারের জন্ম ফ্রান্সে হওয়া সত্ত্বেও মাঠের লড়াইয়ে তারা কোনো সুবিধা করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ফরাসি নীলেই রঙিন হয়ে উঠল বিশ্বকাপের এই আসর এবং মরক্কোর বদলা নেওয়ার সব আশা ধূলিসাৎ হয়ে গেল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin