সাংস্কৃতিক উদ্যোগেই আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ সম্ভব: ডা. শফিকুর রহমান
- আপডেট সময় : ০১:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশীয় সংস্কৃতির লালন ও বিকাশে পিছিয়ে পড়ার কারণে অপসংস্কৃতি বা ‘সাংস্কৃতিক আধিপত্যবাদ’ আমাদের ওপর ভর করেছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কেবল বক্তৃতা বা প্রতিবাদের মাধ্যমে এই আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী সাংস্কৃতিক উদ্যোগ। সুস্থ সংস্কৃতির ধারায় জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এ ধরনের উদ্যোগই একমাত্র কার্যকর উপায়।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ’ আয়োজিত নাতে রাসূল (সা.) ও কাওয়ালী সন্ধ্যায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পবিত্র রবিউল আউয়াল উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি নাতে রাসূল (সা.) প্রতিযোগিতায় বিজয়ী তিন গ্রুপে প্রথম স্থান অর্জনকারী তিন প্রতিযোগীকে ওমরাহ পালনের জন্য পবিত্র কাবা ঘরে পাঠানোর ঘোষণা দেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাসূল (সা.)-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সেখানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের চেয়ে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের গুরুত্ব বেশি ছিল। কারণ, একটি সুন্দর গান মানুষের অন্তরে ঈমানের নূর জ্বালিয়ে দিতে পারে এবং অন্তরকে তরতাজা করে তোলে। তিনি বিজয়ীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে তার আলোচনার সমাপ্তি টানেন।
অনুষ্ঠানে নাত ও কাওয়ালী সন্ধ্যার পাশাপাশি সিরাতগ্রন্থ প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং হাদিস ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এছাড়া হাদিস ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি সাইফুল্লাহ মানছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, আবুল আসাদ, নুরুল ইসলাম বুলবুল, ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান, অধ্যাপক মোক্তার আলী এবং কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন সংগীত পরিবেশন করে।





























