ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেস্ট জিততে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানদের ৩৪৭ রান উত্তর ইসরাইলে বিস্ফোরণে কিশোর নিহত, নেতানিয়াহুর সফর বাতিল নারায়ণগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী নিহত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ঘোষণা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক মদনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত জাতীয় কন্যাশিশু দিবস দুর্গাপূজায় সারাদেশে ১০ হাজার বিজিবি, থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা ও ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা চাইলেন মামুনুল হক সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের ইমরান খানের দলের শত শত নেতাকর্মী আটক, আন্দোলন স্তিমিত

নিয়োগে কোটার দিকে ধাবিত হচ্ছে সরকার: সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রেই সমান ৫০-৫০ নম্বর রাখার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি দাবি করেছেন, এই ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে দলীয়করণ ও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং মেধার পরিবর্তে কোটার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বিষয়টি তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর কোটার পরিবর্তে মেধাভিত্তিক সংসদ তৈরি হয়েছে, যা সবার জানা। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনিকভাবে উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নম্বর বিভাজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার যুক্তি হিসেবে প্রক্সি পরীক্ষা বা জালিয়াতি প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে।

সংসদ সদস্যের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা চরমভাবে ব্যাহত হবে এবং প্রশাসনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয় লোক বসানোর পথ সুগম হবে। তিনি বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত নম্বর বিভাজনের পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, ১১ থেকে ১২তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৯০ শতাংশের যে বিভাজন ছিল, সেখানে ৫০-৫০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৯০ শতাংশের বিভাজন থাকলেও তা পরিবর্তন করে ৪০ ও ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৪০ শতাংশের বিভাজন থাকলেও এখন তা পরিবর্তন করে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংসদকে কোটার পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। বিষয়টি নিয়ে বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রুলিং দেন। স্পিকার বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদের চলমান বিষয়ের ওপর কোনো মন্তব্য থাকলে, কোনো ভুল হলে কিংবা সংসদের নিয়ম ভঙ্গের মতো কোনো বিষয় থাকলে সদস্যরা এভাবে বক্তব্য দিতে পারেন। তিনি আরও বলেন, সংসদ কার্যক্রমের চলমান বিষয় ছাড়া নিয়োগবিধি নিয়ে তো এখন কোনো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে না। সুতরাং এটি পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

নিয়োগে কোটার দিকে ধাবিত হচ্ছে সরকার: সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ

আপডেট সময় : ১১:১৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রেই সমান ৫০-৫০ নম্বর রাখার উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি দাবি করেছেন, এই ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে দলীয়করণ ও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং মেধার পরিবর্তে কোটার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বিষয়টি তুলে ধরে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর কোটার পরিবর্তে মেধাভিত্তিক সংসদ তৈরি হয়েছে, যা সবার জানা। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থাপনায় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনিকভাবে উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নম্বর বিভাজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার যুক্তি হিসেবে প্রক্সি পরীক্ষা বা জালিয়াতি প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে।

সংসদ সদস্যের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা চরমভাবে ব্যাহত হবে এবং প্রশাসনের দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয় লোক বসানোর পথ সুগম হবে। তিনি বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত নম্বর বিভাজনের পার্থক্য তুলে ধরে বলেন, ১১ থেকে ১২তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৯০ শতাংশের যে বিভাজন ছিল, সেখানে ৫০-৫০ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৯০ শতাংশের বিভাজন থাকলেও তা পরিবর্তন করে ৪০ ও ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে আগে ১০ থেকে ৪০ শতাংশের বিভাজন থাকলেও এখন তা পরিবর্তন করে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংসদকে কোটার পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। বিষয়টি নিয়ে বক্তব্যের পর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রুলিং দেন। স্পিকার বলেন, পয়েন্ট অব অর্ডারে সংসদের চলমান বিষয়ের ওপর কোনো মন্তব্য থাকলে, কোনো ভুল হলে কিংবা সংসদের নিয়ম ভঙ্গের মতো কোনো বিষয় থাকলে সদস্যরা এভাবে বক্তব্য দিতে পারেন। তিনি আরও বলেন, সংসদ কার্যক্রমের চলমান বিষয় ছাড়া নিয়োগবিধি নিয়ে তো এখন কোনো আলাপ-আলোচনা হচ্ছে না। সুতরাং এটি পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din