গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সরকার কাজ করছে: মির্জা ফখরুল

- আপডেট সময় : ১২:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শোষণমুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে 'বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকস (দায়রা) আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘বাংলাদেশ অ্যান্ড আ চেঞ্জিং ওয়ার্ল্ড: আনচার্টেড টাইমস, ইমার্জিং অর্ডারস, অ্যান্ড দ্য পলিটিক্স অব কেয়ার’।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা, অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলন এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা দেশের সামনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী ছাত্র-জনতার প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে মির্জা ফখরুল বলেন, দুর্নীতি, অর্থপাচার ও অর্থনৈতিক অনিয়মের কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে চাপে রয়েছে। তবে জনগণের সম্মিলিত শক্তি ও নতুন সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, অর্থনীতি পুনর্গঠন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ব্যাংকিং খাতকে কার্যকর করার জন্য সরকার কাজ করছে। এছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্প উন্নয়ন, কৃষি খাতের অগ্রগতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বাজেটেও বিনিয়োগ ও শিল্পায়নকে উৎসাহিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং গণতন্ত্রকে টেকসই করতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানান। সম্মেলনে দেশি-বিদেশি গবেষক, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।



























