শত্রুদের ওপর যেকোনো মুহূর্তে হামলার হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর
- আপডেট সময় : ০৫:২৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার আবহে শত্রুদের বিরুদ্ধে যেকোনো মুহূর্তে সামরিক হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েল প্রস্তুত রয়েছে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির দখলদার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় তিনি এই বার্তা দেন।
ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় নেতানিয়াহু বিমানবাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর প্রস্তুতি, দৃঢ়তা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শত্রুর ওপর আঘাত হানার সক্ষমতা সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। বিমানঘাঁটি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের শত্রুদের বলছি, আমাদের পরীক্ষা করবেন না। এখন পর্যন্ত আপনারা যে আঘাত পেয়েছেন, তার চেয়েও কঠোর আঘাতের মুখে পড়বেন।' তিনি আরও বলেন, সাহসী পাইলট এবং গ্রাউন্ড ক্রুদের অবদানের কারণে ইসরায়েল নিজেদের রক্ষায় পূর্ণ সংকল্পবদ্ধ।
নেতানিয়াহুর এই হুঁশিয়ারিটি রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের মাত্র আট দিন আগে তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও তিনি সরাসরি কোনো দেশের নাম উচ্চারণ করেননি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এই হুঁশিয়ারি মূলত ইরানকে উদ্দেশ্য করেই দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানে সামরিক হামলা চালানো ইসরায়েলের জন্য 'সুবিধাজনক নয়'। অন্যদিকে, গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওই প্রতিবেদন সরাসরি অস্বীকার করেছে।
এদিকে হোয়াইট হাউজের সূত্র অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন তিনি নির্বাচনের আগে ইরানে নতুন কোনো হামলা চালানোর বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার সিদ্ধান্তের পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ফলে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ এখনো অস্পষ্ট রয়ে গেছে।



























