ঢাকা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক: প্রেস কাউন্সিল ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৬৫, মামলা ৭৩ কয়রার যোগাযোগ সংকট কাটাতে ৬০ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেশে ২ কোটি শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা, লক্ষ্য আরও ৩৫ লাখ সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি ভাঙ্গুড়ায় নৈশ প্রহরী পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সিসিটিভিতে ধরা পড়ল প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর দৃশ্য বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ মনোযোগের রাশ কার হাতে, আপনার নাকি ফোনের স্ক্রিনের? যুক্তরাষ্ট্রে ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর হবে সাবেক মেজরের মৃত্যুদণ্ড

এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ভোগ করছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে এবং এরপরও ৯২ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল থাকবে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। অর্থ খাত, ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ যখন এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন এই প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও টেকসই করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

যুক্তরাজ্যের ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’-কে বিশ্বের অন্যতম সহজ ও উদার বাণিজ্য সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করে সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বর্তমানে আরও আধুনিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন হাইকমিশনার। তিনি বলেন, একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের কৌশলগত দায়িত্ব ও ভূমিকা যুক্তরাজ্য স্বীকার করে। এছাড়া অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জলবায়ু-জনিত ঝুঁকির মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রথাগত গণ্ডি ছাড়িয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও জোর দেন সারাহ কুক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

এলডিসি উত্তরণের পরও বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ভোগ করছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে এবং এরপরও ৯২ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল থাকবে, যার মধ্যে তৈরি পোশাকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। অর্থ খাত, ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ যখন এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন এই প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও টেকসই করে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য।

যুক্তরাজ্যের ‘ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিম’-কে বিশ্বের অন্যতম সহজ ও উদার বাণিজ্য সুবিধা হিসেবে উল্লেখ করে সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক বর্তমানে আরও আধুনিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে।

বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি নিরাপত্তা সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন হাইকমিশনার। তিনি বলেন, একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের কৌশলগত দায়িত্ব ও ভূমিকা যুক্তরাজ্য স্বীকার করে। এছাড়া অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জলবায়ু-জনিত ঝুঁকির মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রথাগত গণ্ডি ছাড়িয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপরও জোর দেন সারাহ কুক।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin