ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৯৩ জন ব্যাটারিতে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, কয়েক মিনিটে হবে ফুল চার্জ ঢাকায় গ্রেপ্তার ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা আ.লীগ নেতা ফরিদ উদ্দিন ঢাকার আদালত থেকে ফের কৌশলে পালালেন খুনের আসামি শরিফুল রাজশাহীতে উদ্ধার হওয়া রেবন্তর বিরল মূর্তিসহ ২৬ প্রত্নসম্পদ জাদুঘরে ইউক্রেনের ওলেশকিতে ভয়াবহ মানবিক সংকট, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র অভাব নড়াইলে মাদক নিয়ে বিরোধে পাঁচ মামলার আসামি কুপিয়ে হত্যা শিশুদের শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের নাটোরের নলডাঙ্গায় নারী উদ্যোক্তাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেফতার ১ জাহাজ শিল্পের জটিলতা কমাতে দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ

স্মিতের সাহসিকতায় মুগ্ধ দুবাইয়ের যুবরাজ, হাসপাতালে গিয়ে জানালেন সম্মান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মাঝ আকাশে সহকারী পাইলটের হামলার শিকার ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে গিয়ে সরাসরি দেখা করেছেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

স্মিতের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন ক্রাউন প্রিন্স। শেখ হামদান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় লিখেছেন, দেশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এবং ব্যক্তিগতভাবে তার প্রতি রয়েছে পূর্ণ কৃতজ্ঞতা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্মিত তাদের দলের এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গল্পের একটি অংশ। তিনি আরব আমিরাতকে শান্তি ও সহমর্মিতার দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, স্মিত এই মূল্যবোধেরই প্রতিনিধিত্ব করেন। এ সময় তোলা ছবি ও ভিডিওতে ক্রাউন প্রিন্সকে স্মিতের সঙ্গে কথা বলতে এবং তাকে আলিঙ্গন করতে দেখা গেছে।

গত বুধবার দুবাই থেকে তেলআবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। বিমানের ককপিটে থাকা সহকারী পাইলট হামাম আলহামামি হঠাৎ করেই ‘ক্র্যাশ অ্যাক্স’ বা কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা চালান। হামলার পর তিনি বিমানটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রসিকিউটররা এই ঘটনাকে একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ২৪ জন শিশুসহ ১৭০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি সে সময় প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। হামলাকারী পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে সেটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। প্রায় ২৩ হাজার ফুট প্রতি মিনিটের গতিতে নেমে একপর্যায়ে বিমানটি ১৫ হাজার ৬০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল।

ক্যাপ্টেন মাচ্ছার হামলাকারীকে বাধা দেওয়ার সময় গুরুতর আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন, যার ফলে ক্রু এবং কয়েকজন যাত্রী ভেতরে প্রবেশ করে হামলাকারীকে কাবু করতে সক্ষম হন। অল্পের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় বিমানটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

স্মিতের সাহসিকতায় মুগ্ধ দুবাইয়ের যুবরাজ, হাসপাতালে গিয়ে জানালেন সম্মান

আপডেট সময় : ০৭:২০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

মাঝ আকাশে সহকারী পাইলটের হামলার শিকার ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে গিয়ে সরাসরি দেখা করেছেন দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

স্মিতের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও প্রশংসা ব্যক্ত করেছেন ক্রাউন প্রিন্স। শেখ হামদান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় লিখেছেন, দেশের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এবং ব্যক্তিগতভাবে তার প্রতি রয়েছে পূর্ণ কৃতজ্ঞতা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্মিত তাদের দলের এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের গল্পের একটি অংশ। তিনি আরব আমিরাতকে শান্তি ও সহমর্মিতার দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, স্মিত এই মূল্যবোধেরই প্রতিনিধিত্ব করেন। এ সময় তোলা ছবি ও ভিডিওতে ক্রাউন প্রিন্সকে স্মিতের সঙ্গে কথা বলতে এবং তাকে আলিঙ্গন করতে দেখা গেছে।

গত বুধবার দুবাই থেকে তেলআবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। বিমানের ককপিটে থাকা সহকারী পাইলট হামাম আলহামামি হঠাৎ করেই ‘ক্র্যাশ অ্যাক্স’ বা কুঠার দিয়ে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর হামলা চালান। হামলার পর তিনি বিমানটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও চেষ্টা করেছিলেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রসিকিউটররা এই ঘটনাকে একটি ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ২৪ জন শিশুসহ ১৭০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি সে সময় প্রায় ৩৪ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল। হামলাকারী পাইলট বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে সেটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। প্রায় ২৩ হাজার ফুট প্রতি মিনিটের গতিতে নেমে একপর্যায়ে বিমানটি ১৫ হাজার ৬০০ ফুট উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল।

ক্যাপ্টেন মাচ্ছার হামলাকারীকে বাধা দেওয়ার সময় গুরুতর আহত হন। রক্তাক্ত অবস্থাতেও তিনি সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন, যার ফলে ক্রু এবং কয়েকজন যাত্রী ভেতরে প্রবেশ করে হামলাকারীকে কাবু করতে সক্ষম হন। অল্পের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় বিমানটি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin