ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভালো কিংবা মন্দ, সরকারের পাঁচ বছরের ‘চুক্তি’ মেনেই ধৈর্য ধরার পরামর্শ প্রতিবাদ ও ‘আগের ১৪ বছর’ বিতর্ক: একটি সামাজিক বিশ্লেষণ রাড্ডা ক্লিনিকে হামলায় ওসির অবহেলার প্রমাণ, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৮ লাখ টাকার সিরিঞ্জসহ নারী যাত্রী আটক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন আইনমন্ত্রী মিরপুরে ধ্বংসস্তূপের সামনেই চলছে রাড্ডা সেন্টারের স্বাস্থ্যসেবা বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কায় বাংলাদেশ: আমরা কি প্রস্তুত নাকি কেবলই কল্পনা? নিউক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনন্ত আম্বানির নিয়োগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক অক্টোবরের মধ্যেই জিয়াউলের গুম মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষের আশা

অক্টোবরের মধ্যেই জিয়াউলের গুম মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষের আশা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক ব্যক্তিকে গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, মামলার যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে এবং রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছে।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আরও জানান, মেজর সাব্বিরের জেরার মাধ্যমে মামলার চাক্ষুষ প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর পিডব্লিউ-১৪ হিসেবে সিজার উইটনেস শামীমুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখে প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সাক্ষ্য দেবেন। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষী দিতে পারবে। তারা ইতিমধ্যে দুজন সাক্ষীর একটি প্রাথমিক তালিকাও দিয়েছে।

রাষ্ট্রের সহযোগিতার বিষয়ে প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, ১০৪ জন ভিকটিমকে ন্যায়বিচার এনে দিতে রাষ্ট্র সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করছে। আলতাফ মল্লিক নামের এক মাঝির অপহরণের ঘটনা ছাড়া বাকি প্রতিটি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব সাক্ষীর মধ্যে অভিযুক্তের তৎকালীন বাহিনীপ্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (জিওসি) এবং অধস্তন কর্মকর্তারা রয়েছেন।

বিচার শেষের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রায় প্রদানের এখতিয়ার সম্পূর্ণ আদালতের। তবে সবকিছু স্বাভাবিক গতিতে চললে আগামী অক্টোবরের মধ্যেই উভয় পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মেজর সাব্বিরের জেরা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অক্ষত রয়েছে এবং আসামিপক্ষ সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যান্য গুমের মামলার বিষয়ে তিনি জানান, কোনো মামলাই থেমে নেই এবং ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ট্রাইব্যুনাল-২ এ চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি মামলার চার্জ গঠনের শুনানি প্রসঙ্গে মিজানুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারক অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে ভর্তি থাকায় শুনানি মূলতবি করা হয়েছে। বিচারকের অনুপস্থিতিতে শুনানি না করার সিদ্ধান্তকে প্রসিকিউশন সমর্থন জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

অক্টোবরের মধ্যেই জিয়াউলের গুম মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষের আশা

আপডেট সময় : ০৫:২৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে শতাধিক ব্যক্তিকে গুমের অভিযোগে দায়ের করা মামলার বিচারিক কার্যক্রম আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, মামলার যে সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে এবং রাষ্ট্রপক্ষ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করছে।

প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম আরও জানান, মেজর সাব্বিরের জেরার মাধ্যমে মামলার চাক্ষুষ প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর পিডব্লিউ-১৪ হিসেবে সিজার উইটনেস শামীমুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখে প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) সাক্ষ্য দেবেন। তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষী দিতে পারবে। তারা ইতিমধ্যে দুজন সাক্ষীর একটি প্রাথমিক তালিকাও দিয়েছে।

রাষ্ট্রের সহযোগিতার বিষয়ে প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, ১০৪ জন ভিকটিমকে ন্যায়বিচার এনে দিতে রাষ্ট্র সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করছে। আলতাফ মল্লিক নামের এক মাঝির অপহরণের ঘটনা ছাড়া বাকি প্রতিটি ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব সাক্ষীর মধ্যে অভিযুক্তের তৎকালীন বাহিনীপ্রধান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (জিওসি) এবং অধস্তন কর্মকর্তারা রয়েছেন।

বিচার শেষের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রায় প্রদানের এখতিয়ার সম্পূর্ণ আদালতের। তবে সবকিছু স্বাভাবিক গতিতে চললে আগামী অক্টোবরের মধ্যেই উভয় পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মেজর সাব্বিরের জেরা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জবানবন্দিতে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অক্ষত রয়েছে এবং আসামিপক্ষ সাক্ষীর গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যান্য গুমের মামলার বিষয়ে তিনি জানান, কোনো মামলাই থেমে নেই এবং ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিচারিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ট্রাইব্যুনাল-২ এ চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি মামলার চার্জ গঠনের শুনানি প্রসঙ্গে মিজানুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের একজন বিচারক অসুস্থ হয়ে সিএমএইচে ভর্তি থাকায় শুনানি মূলতবি করা হয়েছে। বিচারকের অনুপস্থিতিতে শুনানি না করার সিদ্ধান্তকে প্রসিকিউশন সমর্থন জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin