ঢাকা ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাবিতে ঘুমন্ত শিক্ষার্থীর পায়ে বিষধর কালাচ সাপের দংশন শুধু জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় শিক্ষার উদ্দেশ্য সীমাবদ্ধ নয় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: জমি নিয়ে বিরোধে আটক ৩ টেনেসিতে ২০০ বছর পর নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি খুলনায় ২৭ বছর পর গ্রেফতার এরশাদ শিকদারের সহযোগী জয়নাল সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই: এবি পার্টি পাবনার চাটমোহরে ভূত আতঙ্ক কাটাতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ভোক্তা ঋণ বাড়লেও নির্মাণ ও পরিবহন খাতে বিনিয়োগে স্থবিরতা রুশ-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলায় নিহত ১০, পুতিনের সঙ্গে রফার আহ্বান ট্রাম্পের নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাইকেল আরোহী আবু সাইদ নিহত

শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে: যুক্তরাষ্ট্র

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নিউ ইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়। নিউ ইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক ওই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ওয়াশিংটন এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মতামত দেয়নি। তিনি আরও বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন যে, এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে, বিএনপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি।”

বাংলাদেশ কেন কোনো একক পরাশক্তির দিকে ঝুঁকছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি জটিল অংশে পড়েছে। আমরা বলছি না যে, আপনাকে কাউকে বেছে নিতে হবে; আমরা বরং এসব দেশের জন্য বিকল্প হতে চাই।” এর আগে দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানী মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত মিলে সিদ্ধান্ত নেবে: যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নিউ ইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়। নিউ ইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক ওই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ওয়াশিংটন এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মতামত দেয়নি। তিনি আরও বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি যে, বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমরা আশা করছি, তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। আর হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়ে আগামী ডিসেম্বর নাগাদ দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা মন্তব্য করেন যে, এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে। এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে, বিএনপির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই চমৎকার অবস্থায় রয়েছে। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি।”

বাংলাদেশ কেন কোনো একক পরাশক্তির দিকে ঝুঁকছে না—এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি জটিল অংশে পড়েছে। আমরা বলছি না যে, আপনাকে কাউকে বেছে নিতে হবে; আমরা বরং এসব দেশের জন্য বিকল্প হতে চাই।” এর আগে দক্ষিণ ও সেন্ট্রাল এশিয়া বিষয়ক উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানী মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin