হুথিদের রুখতে সৌদি আরবের পাশে তুরস্ক ও পাকিস্তানের অঙ্গীকার
- আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ইয়েমেনে চলমান সংঘাত তীব্রতর হয়ে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে রিয়াদের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির সদস্য হিসেবে দেশ দুটি সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে তিন দেশের সামরিক প্রধানরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সৌদি আরবের বর্তমান নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই বৈঠকে পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফাইয়াদ আল-রুওয়াইলি এবং তুরস্কের চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বাইরাকতারওগলু অংশ নেন।
বৈঠকে সামরিক প্রধানরা পবিত্র মক্কা নগরীসহ সৌদি আরবের বেসামরিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামোর ওপর চালানো যেকোনো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সমন্বয় এবং তিন দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির অঙ্গীকারগুলোকে কার্যকর সহযোগিতায় রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইউনিফর্ম পরিহিত তিন সামরিক কর্মকর্তার ছবি প্রকাশ করলেও বৈঠকটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তা উল্লেখ করেনি।
এর আগে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠকে মিলিত হন। সেই বৈঠকেই তিন দেশের সেনাপ্রধানদের এই জরুরি আলোচনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় কোনো এক পক্ষের ওপর আক্রমণকে সকল পক্ষের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার নীতি রয়েছে, যা হুথিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সৌদি আরবকে বাড়তি শক্তি জোগাবে।





























