কিমের কোনো ছেলে সন্তান আছে কি না খুঁজছে দক্ষিণ কোরিয়া
- আপডেট সময় : ১০:০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কোনো ছেলে সন্তান আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এনআইএস) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা এখনো চলমান রয়েছে। সংস্থাটি স্পষ্ট করেছে, কিমের কোনো ছেলে সন্তান থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি তার উত্তরসূরি হওয়ার অবস্থানে নেই।
২০১১ সালে কিম জং ইলের মৃত্যুর পর ৪২ বছর বয়সী কিম জং উন উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। এনআইএস তাদের আগের মূল্যায়ন পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, কিমের মেয়ে কিম জু এ-ই বাবার পর নেতৃত্ব নেয়ার সম্ভাব্য উত্তরসূরি। প্রায় ১৩ বছর বয়সী এই কন্যাকে নিয়ে গোয়েন্দারা কাজ করলেও তার কোনো বড় ভাই আছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এছাড়া কিম জং উনের আরেকটি ছোট সন্তান রয়েছে, তবে সেই সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় সম্পর্কেও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি গোয়েন্দারা।
কিম জু এ-র রাজনৈতিক অবস্থান কতটা সুদৃঢ়, তা নিয়ে এনআইএস বিস্তারিত কিছু না জানালেও, সংস্থাটি তাকে দেয়া রাষ্ট্রীয় প্রটোকল এবং প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে মূল্যায়ন করছে। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, কিম জং উনের স্ত্রী রি সল জুর কোনো ছেলে সন্তান নেই। সেই প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতেই এনআইএস এই বিবৃতি দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২২ সালের শেষ দিক থেকে কিম জু এ বাবার সাথে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও সামরিক কুচকাওয়াজের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাকে কিমের ‘সবচেয়ে প্রিয়’ বা ‘সম্মানিত’ সন্তান হিসেবে তুলে ধরেছে। ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এক আইনপ্রণেতাকে এনআইএস জানিয়েছিল যে কিম জু এ-র একজন বড় ভাই রয়েছে, তবে পরবর্তীতে সংস্থাটি কিমের ছেলে সন্তান থাকার বিষয়টি এখনো যাচাইাধীন বলে স্পষ্ট করে।
উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বড় ভাইয়ের অস্তিত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়, যার মূল কারণ দেশটির পুরুষতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো। ১৯৪৮ সালে উত্তর কোরিয়া প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশটির নেতৃত্ব কিম পরিবারের পুরুষ সদস্যদের হাতেই ন্যস্ত ছিল।




























