ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

হামলা এড়াতে দুবাইয়ের নতুন বিমানবন্দরে মাটির নিচে হচ্ছে জ্বালানি ট্যাংক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়লেও নিজেদের বহুল আলোচিত মেগা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে পিছিয়ে আসছে না সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। বরং ভবিষ্যৎ ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখতে নতুন বিমানবন্দরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ মাটির নিচে তৈরির পরিকল্পনা করছে দুবাই।

অনলাইন ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত নতুন মেগা বিমানবন্দরের নকশায় জ্বালানি ট্যাংকের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মাটির নিচে রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পুরো স্থাপনাকে আরও বেশি নিরাপদ ও টেকসই করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে বছরে ২৫ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই বিশাল বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প কোনোভাবেই সংকুচিত বা বাতিল করা হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

মূলত বিগত দিনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতা থেকে এই সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ওই সময় দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির (ডিএক্সবি) খোলা স্থানে থাকা একটি জ্বালানি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আঘাত হেনেছিল। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে যাত্রীদের দ্রুত ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ায় সেবার বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছিল।

এই সংঘাতের প্রভাবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে দুবাই বিমানবন্দরে যাত্রী চলাচল প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছিল। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে বিমানবন্দরে প্রায় ৭৪ লাখ যাত্রী আসা-যাওয়া করলেও মার্চ মাসে তা নাটকীয়ভাবে কমে মাত্র ২৫ লাখে নেমে আসে। তবে পরিস্থিতি এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে এবং জুলাই নাগাদ যাত্রী সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৩ লাখে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বছরের শুরুর দিকে তারা পুরোপুরি আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এবং বিশ্বের শীর্ষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনরায় পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

হামলা এড়াতে দুবাইয়ের নতুন বিমানবন্দরে মাটির নিচে হচ্ছে জ্বালানি ট্যাংক

আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়লেও নিজেদের বহুল আলোচিত মেগা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে পিছিয়ে আসছে না সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। বরং ভবিষ্যৎ ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে অবকাঠামো সুরক্ষিত রাখতে নতুন বিমানবন্দরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ মাটির নিচে তৈরির পরিকল্পনা করছে দুবাই।

অনলাইন ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত নতুন মেগা বিমানবন্দরের নকশায় জ্বালানি ট্যাংকের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মাটির নিচে রাখার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পুরো স্থাপনাকে আরও বেশি নিরাপদ ও টেকসই করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে বছরে ২৫ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই বিশাল বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প কোনোভাবেই সংকুচিত বা বাতিল করা হবে না বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

মূলত বিগত দিনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতা থেকে এই সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। ওই সময় দুবাইয়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির (ডিএক্সবি) খোলা স্থানে থাকা একটি জ্বালানি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন আঘাত হেনেছিল। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে যাত্রীদের দ্রুত ভূগর্ভস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ায় সেবার বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছিল।

এই সংঘাতের প্রভাবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে দুবাই বিমানবন্দরে যাত্রী চলাচল প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছিল। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারিতে বিমানবন্দরে প্রায় ৭৪ লাখ যাত্রী আসা-যাওয়া করলেও মার্চ মাসে তা নাটকীয়ভাবে কমে মাত্র ২৫ লাখে নেমে আসে। তবে পরিস্থিতি এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে এবং জুলাই নাগাদ যাত্রী সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৩ লাখে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী বছরের শুরুর দিকে তারা পুরোপুরি আগের অবস্থানে ফিরে যাবে এবং বিশ্বের শীর্ষ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনরায় পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin