ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এশিয়ান গেমসে চীনের একক আধিপত্য, ১০০ স্বর্ণপদক জয় চুয়াডাঙ্গায় ৫০টি অসহায় পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী শান্তিগঞ্জে হাওর ও নদী রক্ষা কমিটির সভাপতি জিয়াউর, সম্পাদক রেদুয়ান জাজিরায় পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালো আ.লীগ নেতাকর্মীরা এশিয়ান গেমসের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য হুমকি: বক্তারা শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দিচ্ছে সরকার, আবেদনের নিয়ম ১,৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা করছে সরকার সিলেট চেম্বারের নির্বাচন বাতিল, নতুন প্রশাসক এজাজ আহমদ

ফিলিস্তিনি নারী কবিদের কবিতায় বাগদাদের রক্তক্ষরণ ও বেঁচে থাকার লড়াই

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ৫৪ (05-09-2026, 13:54)

ফিলিস্তিনি নারী কবিদের সাহিত্যকর্মে প্রায়ই ফুটে ওঠে আরব বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বেদনা, স্মৃতি ও লড়াইয়ের চিত্র। সম্প্রতি প্রকাশিত তাদের একটি কবিতায় ইরাকের ঐতিহাসিক শহর বাগদাদকে নিয়ে গভীর স্মৃতিকাতরতা ও বেদনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

কবিতাটিতে কবি বাগদাদকে সম্বোধন করে লিখেছেন, "হে বাগদাদ, হে আমার স্মৃতিকাতরতার হিরণ্ময় দ্যুতি, কী হলো আমার—কেন তোমায় এই জলভরা চোখে দুবার দেখছি?" কবির এই পঙক্তিগুলোতে ফুটে উঠেছে বাগদাদের প্রতি এক গভীর ভালোবাসার টান, যা একই সাথে অশ্রুসিক্ত ও বেদনাবিধুর।

কবি তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আরও লিখেছেন, একবার তিনি বাগদাদকে দেখেন অত্যন্ত প্রেমময় রূপে, আর ঠিক তার পরক্ষণেই দেখেন রক্তভেজা অবস্থায়। এই রক্ত আজ বাগদাদের ভারাক্রান্ত দুই তীরে বয়ে চলেছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলা সংঘাত ও ক্ষতকে কবি এই পঙক্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

তবে চরম বিপর্যয়ের মাঝেও কবি বাগদাদের অদম্য শক্তির বন্দনা করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, "হে বাগদাদ, ওরা কতবার সৌন্দর্যকে জবাই করেছে, তবু তুমি মরনি।" বারবার ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েও বাগদাদ যেভাবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে, ফিলিস্তিনি নারী কবিদের এই সৃষ্টিতে তারই এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিস্তিনি নারী কবিদের কবিতায় বাগদাদের রক্তক্ষরণ ও বেঁচে থাকার লড়াই

আপডেট সময় : ০২:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ৫৪ (05-09-2026, 13:54)

ফিলিস্তিনি নারী কবিদের সাহিত্যকর্মে প্রায়ই ফুটে ওঠে আরব বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বেদনা, স্মৃতি ও লড়াইয়ের চিত্র। সম্প্রতি প্রকাশিত তাদের একটি কবিতায় ইরাকের ঐতিহাসিক শহর বাগদাদকে নিয়ে গভীর স্মৃতিকাতরতা ও বেদনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

কবিতাটিতে কবি বাগদাদকে সম্বোধন করে লিখেছেন, "হে বাগদাদ, হে আমার স্মৃতিকাতরতার হিরণ্ময় দ্যুতি, কী হলো আমার—কেন তোমায় এই জলভরা চোখে দুবার দেখছি?" কবির এই পঙক্তিগুলোতে ফুটে উঠেছে বাগদাদের প্রতি এক গভীর ভালোবাসার টান, যা একই সাথে অশ্রুসিক্ত ও বেদনাবিধুর।

কবি তার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আরও লিখেছেন, একবার তিনি বাগদাদকে দেখেন অত্যন্ত প্রেমময় রূপে, আর ঠিক তার পরক্ষণেই দেখেন রক্তভেজা অবস্থায়। এই রক্ত আজ বাগদাদের ভারাক্রান্ত দুই তীরে বয়ে চলেছে। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলা সংঘাত ও ক্ষতকে কবি এই পঙক্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

তবে চরম বিপর্যয়ের মাঝেও কবি বাগদাদের অদম্য শক্তির বন্দনা করেছেন। কবিতায় বলা হয়েছে, "হে বাগদাদ, ওরা কতবার সৌন্দর্যকে জবাই করেছে, তবু তুমি মরনি।" বারবার ধ্বংসের মুখোমুখি হয়েও বাগদাদ যেভাবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে, ফিলিস্তিনি নারী কবিদের এই সৃষ্টিতে তারই এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh