ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য: জামায়াতে ইসলামীর আমীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাদের চলমান কর্মসূচি কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তারা দেখেন, তার জন্যই এই প্রচেষ্টা। বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জনকারী কুরআন হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মূল্যায়ন না করায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সাধারণত ক্রীড়া বা সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনকারীদের সরকার সংবর্ধনা দেয়, অথচ কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা হাফেজদের ক্ষেত্রে তেমন উদ্যোগ দেখা যায় না। তিনি জানান, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ গতকাল সংসদে এই দাবি উত্থাপন করেছেন। কেবল সংবর্ধনা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমীর ঘোষণা দেন যে, আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত বিজয়ী সকল বাংলাদেশি হাফেজকে তার দলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। বায়তুল হারামে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার জন্য তিনি এই হাফেজদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, যারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তারা কোনো পার্থিব প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কুরআন হিফজ করেছেন।

ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নৈতিক শিক্ষা প্রসারে ধর্মীয় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাদক থেকে দূরে থাকে উল্লেখ করে তিনি দাবি জানান যে, দেশের প্রতিটি নাগরিক কর প্রদান করেন, তাই মাদ্রাসাগুলোও সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য পাওনা পাওয়া উচিত। সবশেষে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিজয়ী হাফেজদের সম্মান জানানো সরকারের দায়িত্ব। যদি সরকার তাদের উপেক্ষা করে, তবে তারা একটি বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য: জামায়াতে ইসলামীর আমীর

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তাদের চলমান কর্মসূচি কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, বরং ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে যে সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তারা দেখেন, তার জন্যই এই প্রচেষ্টা। বৃহস্পতিবার ৪৬তম কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা-২০২৬ এ বিজয়ী বাংলাদেশি হাফেজদের সংবর্ধনা প্রদান শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জনকারী কুরআন হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মূল্যায়ন না করায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সাধারণত ক্রীড়া বা সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনকারীদের সরকার সংবর্ধনা দেয়, অথচ কুরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা হাফেজদের ক্ষেত্রে তেমন উদ্যোগ দেখা যায় না। তিনি জানান, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ গতকাল সংসদে এই দাবি উত্থাপন করেছেন। কেবল সংবর্ধনা দেওয়াই যথেষ্ট নয়, তাদের প্রাপ্য সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জামায়াত আমীর ঘোষণা দেন যে, আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত বিজয়ী সকল বাংলাদেশি হাফেজকে তার দলের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। বায়তুল হারামে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার জন্য তিনি এই হাফেজদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আরও বলেন, যারা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তারা কোনো পার্থিব প্রাপ্তির আশায় নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই কুরআন হিফজ করেছেন।

ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, নৈতিক শিক্ষা প্রসারে ধর্মীয় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাদক থেকে দূরে থাকে উল্লেখ করে তিনি দাবি জানান যে, দেশের প্রতিটি নাগরিক কর প্রদান করেন, তাই মাদ্রাসাগুলোও সরকারের কাছ থেকে তাদের ন্যায্য পাওনা পাওয়া উচিত। সবশেষে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিজয়ী হাফেজদের সম্মান জানানো সরকারের দায়িত্ব। যদি সরকার তাদের উপেক্ষা করে, তবে তারা একটি বড় সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin