ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চারজনের খুনের রহস্য উন্মোচনে ব্যর্থতা সরকারের চরম ব্যর্থতা: গোলাম পরওয়ার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ইমদাদুল হুদা সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ ষড়ঋতুর সৌন্দর্য ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধন: এক অনন্য বাংলাদেশ জয় বাংলা স্লোগান: শোকজ পেলেন সিরাজগঞ্জের বিএনপি নেতা মিন্টু শেখ নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৩৮৯, নিখোঁজ ৯ শতাধিক মানুষ ফেনীতে খুঁটিতে বেঁধে গৃহবধূ ও যুবদল নেতাকে নির্যাতন, আটক ৩ লর্ডস টেস্টে স্মিথ-কক্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানালেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ক্যানসার আক্রান্ত দুই সন্তানের জননী আঁখির বাঁচতে প্রয়োজন সহায়তা

জ্বালানি সংকটে স্থবির দেশের অর্থনীতি, লোডশেডিং ৩ হাজার মেগাওয়াট পার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এখন গভীর অর্থনৈতিক স্থবিরতায় রূপ নিয়েছে। দেশীয় খনিগুলো থেকে গ্যাস উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়া, বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি এবং ডলার সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিল পরিশোধ করতে না পারায় জ্বালানি খাতে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করেছে যে, দেশজুড়ে দৈনিক বিদ্যুতের ঘাটতি বা লোডশেডিং এখন ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানি বাণিজ্য এবং দিনের সিংহভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। নীতিনির্ধারকেরাও স্বীকার করছেন যে, এই সংকটের কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নেই এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে নতুন জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তুলতে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং গত এক দশকে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগের অভাব। ২০১৬-১৭ সালেও দেশের নিজস্ব খনিগুলো থেকে যেখানে দৈনিক প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত, তা বর্তমানে কমে মাত্র ১৫০ কোটি ঘনফুটের কাছাকাছি নেমে এসেছে। অথচ দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে বর্তমান সরবরাহ মাত্র ২২০ থেকে ২৩০ কোটি ঘনফুট। এই বিশাল ঘাটতি মেটানোর জন্য আমদানিকৃত এলএনজির ওপর ভরসা করা হলেও, সমুদ্রের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ১০ ডলার থেকে লাফিয়ে ২২ ডলারে উন্নীত হওয়ায় সরকারের পক্ষে নিয়মিত কার্গো কেনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একই সাথে ডলার সংকটের কারণে স্পট মার্কেট থেকেও সময়মতো গ্যাস কেনা যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৩টি ইউনিটের প্রায় অর্ধেকই এখন বন্ধ বা আংশিক সচল রাখতে হচ্ছে।

গ্যাসের এই তীব্র সংকটের প্রভাব পড়েছে শিল্প খাতে। বিকল্প হিসেবে কারখানাগুলো এখন অতিমাত্রায় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে। জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখতে গিয়ে কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যয় আগের চেয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদার কারণে সরকারি কোম্পানিগুলোর জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাণও হঠাৎ করে ২৫ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা দেশের সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত আটটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিলেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এ প্রসঙ্গে বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত এবং বিশাল অঙ্কের বকেয়া পাওনার কারণেই এই সংকট এতটা গভীর হয়েছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকি। মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি, বিকল্প এলএনজি কার্গো সংগ্রহে জটিলতা এবং দুর্বল সরবরাহ পরিকল্পনার কারণে গ্যাসনির্ভর শিল্পগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিনি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, কৌশলগত জ্বালানি মজুত গড়ে তোলা, উৎসের বহুমুখীকরণ এবং বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের ওপর জোর দেন।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে চরম অবহেলা করে শুধু আমদানিনির্ভর ব্যবসার সুযোগ খোঁজার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো জাতিকে। এলএনজি আমদানি কেবল সাময়িক উপশম দিতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। সংকট কাটাতে দেশের অভ্যন্তরে ও সাগরে নতুন কূপ খনন করার পাশাপাশি জ্বালানি খাতের অস্বচ্ছ ক্যাপাসিটি চার্জের নীতি পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান তিনি।

তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম সতর্ক করে বলেন, গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এই মুহূর্তে যদি গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তবে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই খাতটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে স্থবির দেশের অর্থনীতি, লোডশেডিং ৩ হাজার মেগাওয়াট পার

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এখন গভীর অর্থনৈতিক স্থবিরতায় রূপ নিয়েছে। দেশীয় খনিগুলো থেকে গ্যাস উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়া, বিশ্ববাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি এবং ডলার সংকটের কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিল পরিশোধ করতে না পারায় জ্বালানি খাতে এক নজিরবিহীন বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করেছে যে, দেশজুড়ে দৈনিক বিদ্যুতের ঘাটতি বা লোডশেডিং এখন ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানি বাণিজ্য এবং দিনের সিংহভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। নীতিনির্ধারকেরাও স্বীকার করছেন যে, এই সংকটের কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নেই এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে নতুন জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তুলতে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং গত এক দশকে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধানে কার্যকর উদ্যোগের অভাব। ২০১৬-১৭ সালেও দেশের নিজস্ব খনিগুলো থেকে যেখানে দৈনিক প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেত, তা বর্তমানে কমে মাত্র ১৫০ কোটি ঘনফুটের কাছাকাছি নেমে এসেছে। অথচ দেশে দৈনিক গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে বর্তমান সরবরাহ মাত্র ২২০ থেকে ২৩০ কোটি ঘনফুট। এই বিশাল ঘাটতি মেটানোর জন্য আমদানিকৃত এলএনজির ওপর ভরসা করা হলেও, সমুদ্রের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ১০ ডলার থেকে লাফিয়ে ২২ ডলারে উন্নীত হওয়ায় সরকারের পক্ষে নিয়মিত কার্গো কেনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একই সাথে ডলার সংকটের কারণে স্পট মার্কেট থেকেও সময়মতো গ্যাস কেনা যাচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৩টি ইউনিটের প্রায় অর্ধেকই এখন বন্ধ বা আংশিক সচল রাখতে হচ্ছে।

গ্যাসের এই তীব্র সংকটের প্রভাব পড়েছে শিল্প খাতে। বিকল্প হিসেবে কারখানাগুলো এখন অতিমাত্রায় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছে। জেনারেটর চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখতে গিয়ে কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যয় আগের চেয়ে অন্তত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এই বাড়তি চাহিদার কারণে সরকারি কোম্পানিগুলোর জ্বালানি তেল বিক্রির পরিমাণও হঠাৎ করে ২৫ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা দেশের সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত আটটার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিলেও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নতি হয়নি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এ প্রসঙ্গে বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত এবং বিশাল অঙ্কের বকেয়া পাওনার কারণেই এই সংকট এতটা গভীর হয়েছে। তবে পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মনে করেন, চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের শিল্প ও সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় ঝুঁকি। মহেশখালী এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি, বিকল্প এলএনজি কার্গো সংগ্রহে জটিলতা এবং দুর্বল সরবরাহ পরিকল্পনার কারণে গ্যাসনির্ভর শিল্পগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তিনি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করা, কৌশলগত জ্বালানি মজুত গড়ে তোলা, উৎসের বহুমুখীকরণ এবং বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের ওপর জোর দেন।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম শামসুল আলম অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর ধরে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে চরম অবহেলা করে শুধু আমদানিনির্ভর ব্যবসার সুযোগ খোঁজার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো জাতিকে। এলএনজি আমদানি কেবল সাময়িক উপশম দিতে পারে, কিন্তু তা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। সংকট কাটাতে দেশের অভ্যন্তরে ও সাগরে নতুন কূপ খনন করার পাশাপাশি জ্বালানি খাতের অস্বচ্ছ ক্যাপাসিটি চার্জের নীতি পুরোপুরি বাতিলের দাবি জানান তিনি।

তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম সতর্ক করে বলেন, গ্যাসের পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এই মুহূর্তে যদি গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তবে দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই খাতটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh